কবিতা, গান ও ভাস্কর্য ইসলামে হারাম

” বানর আর শুকর মানেই যারা পূর্বে বাদ্যযন্ত্র বাজাতো।” – সহি বোখারি-৭/৬৯/৪৯৪
“গান মানুষের অন্তুরে মুনাফেকির জন্ম দেয় যেমন পানি শস্য উৎপাদন করে।-মিশকাত শরীফ, ৪১১
“আমার উম্মতের মধ্যে এমন কিছু লোক সৃষ্টি হবে, যারা ব্যভিচার, রেশম, মদ ও বাদ্যযন্ত্রকে হালাল সাব্যস্ত করবে।” – সহীহ বুখারি, ৫৫৯০

“একদিন হযরত আয়েশা (রা.) এর নিকট বাজনাদার নুপুর পরে কোনো বালিকা আসলে আয়েশা রা. বললেন, খবরদার, তা কেটে না ফেলা পর্যন্ত আমার ঘরে প্রবেশ করবে না। অতঃপর তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যে ঘরে ঘণ্টি (নূপুর) থাকে সেই ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না।”- সুনানে আবু দাউদ হাদীস : ৪২৩১; সুনানে নাসাঈ হাদীস : ৫২৩৭

সহীহ মুসলিমর ২১১৪ নং হাদিসে বলা আছে, “ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ঘণ্টি, বাজা, ঘুঙুর হল শয়তানের বাদ্যযন্ত্র।”
“আর কবিদের কথা ! তাদের পেছনে চলে বিভ্রান্ত লোকেরা। তোমরা কি দেখো না যে, প্রতিটি প্রান্তরে তারা বিভ্রান্ত হয়ে ঘুরে মরে, এবং এমন সব কথা বার্তা বলে, যা তারা নিজেরা করে না”। (কোরান-২৬/২৩,২৪,২৫)
“মাথা ভর্তি কবিতার চেয়ে পেট ভর্তি পুঁজ উত্তম।” (বোখারি, ৮/৭৩/১৭৫)

আরও কিছু বহুল পরিচিত হাদিস :
“যে ঘরে কুকুর ও ছবি আছে, সেই ঘরে ফেরেশতা প্রবেশ করে না।”
“নিশ্চয় জানিও আল্লার নিকটে তথা আখেরাতে সর্বাধিক কঠিন আজাব হবে ছবি তৈরি কারকদের।”
“যদি কেহ জীবজন্তুর ছবি অংকন করা হারাম জানা সত্ত্বেও উহা অংকন করে তবে সে কাফের হইয়া যায়।”

সামান্য মন্তব্য : কোনও হাদিস গ্রন্থে কিংবা কোরআনে ভাস্কর্য, শিল্প এবং কবিতার স্বপক্ষে একটা শব্দও নেই। তবে কবিদের জন্য একটা দারুণ সুখবর আছে। দয়ার নবী বলেছেন, ” কবিদের মধ্যে সবার আগে দোজখে যাবে কবি ইমরুল উল কায়েস। ” সুতরাং সপ্ত ঝুলন্ত গীতিকার অমর কবিও দোজখে আপনার সঙ্গী হবেন, সঙ্গী হবেন পৃথিবীর সমস্ত কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী, ভাস্কর।

“নমরুদ শুয়ে থাকে সিজ্জিনে
অনন্ত পাপশয্যায়
তবুও দুহাতে তার
কবিতার নুর ঝলকায়!”

ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ব্লগার দিয়ার্ষি আরাগ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।