ধর্মকথা

খুন ধর্ষণ লুটপাট নাস্তিকরা করলেও করতে পারে কারণ তারা কোনো ঈশ্বরের কাছে কৈফিয়তে বিশ্বাসী নয়। তারা নির্ভার এবং একক। তারা পরকালের শাস্তিকে হাস্যকর মনে করে অর্থাৎ বিশ্বাসই করে না। ফলে তাদের পক্ষেই হয়তো যা ইচ্ছা তাই করা সম্ভব।

আর একজন আস্তিক বুঝে সবাই এবং সবকিছুই এক ঈশ্বরের , সে কাউকে আঘাত করতে পারে না। সে জানে এবং বুঝে সৃষ্টির উপর আঘাত মানে পরোক্ষভাবে সৃষ্টিকর্তার উপরেই আঘাত।

অথচ আশ্চর্য, ঐসব তথাকথিত আস্তিকেরা অনায়াসে খুন ধর্ষণ লুটপাট করে। অনায়াসে খারাপ কাজ করে। প্রায় সব দাগী আসামিই আস্তিক। পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্মপ্রচারক বলে কথিত মহাপুরুষটির ধর্ষণ, লুটপাট, যুদ্ধ ও খুনখারাবির খবর সকলেরই জানা।
আর অন্যদিকে নাস্তিকেরা মানবতার কথা প্রচার করে , মানুষ ও প্রকৃতিকে ভালবাসার তাগিদ দেয়। একটা মানবিক পৃথিবীর স্বপ্ন দেখে।

হাজার বছর চেষ্টা করেও ; প্রচার, ভীতি প্রদর্শন এবং লোভ দেখিয়েও ধর্মগুলো মানুষকে নীতিবান এবং সৎ বানাতে পারেনি।
এটা প্রমাণিত হয়েছে নিশ্চিতভাবেই,
মিথ্যাচার আর ভন্ডামী দিয়ে কখনো মহৎ কাজ হয় না। ভয় কিংবা লোভ মানুষকে প্রকৃতপক্ষে সৎ বানাতে পারে না। তবুও যারা শাস্তির ভয়ে সৎ হওয়ার ভাণ ধরেন তারা তুলনামূলক বড় লাভে নির্দ্বিধায় অসৎ হয়ে যান।

সৃষ্টির সঙ্গে হৃদয়ের সম্পর্ক, একক সম্পর্ক, প্রতিনিধিবিহীন সরাসরি সম্পর্কই হয়তো আপনাকে সুখী, কর্তব্যপরায়ন এবং সৎ করবে কারণ আপনি নিজের ভেতরেই ঈশ্বরকে খুঁজে পেয়ে গেছেন। আর আপনি আমাকে আঘাত করতে পারেন না কারণ আপনি জানেন আমি আপনার অংশ, আমরা একই সাবটেনসের অথবা ঈশ্বরের অংশ।

সৃষ্টির সময়েই আমাদের ভেতর আমরা ধর্মটা পেয়ে গেছি , যেমন পেয়ে গেছে জল, পাখি, হাইড্রোজেন কিংবা পরমাণু।

ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ব্লগার দিয়ার্ষি আরাগ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।