আইন ও বিচার

ল ইজ নট ইউর প্লে ট্র‍্যাক

সিনহা হত্যা মামলার অন্যতম দুইজন সাক্ষী এবং সেসময়কার ভিকটিম শিপ্রা দেবনাথ ও সিফাত। সিফাত মামলার প্রত্যক্ষ সাক্ষী এবং সে সিনহা হত্যা মামলার প্রকৃত বিচার হওয়ার প্রধান গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। অন্যদিকে শিপ্রা ঘটনার সময় নীলিমা রিসোর্টে ছিলো। সিনহাকে হত্যার পর নীলিমা রিসোর্ট থেকে আটক হন শিপ্রা ও তাহসিন। তাদের আটক করলো কারা? রামু থানা। যদিও নিলীমা রিসোর্টের অবস্থান ভৌগলিকভাবে কক্সবাজার সমুদ্রের পাশেই কিন্তু এলাকা ভাগ অনুসারে রামু থানায় অধীন এই এলাকা। রামু …

বিস্তারিত পড়ুন

কোর্ট কেস এবং থানা কেস কি?

আইন বেশ জটিল এবং সূক্ষ্ম একটি বিষয়। বিস্তারিতভাবে এবং উদহারন দিয়ে অনেকে অনেকরকভাবে আইনকে ব্যাখ্যা করতে পারেন। আমি যেহেতু সদ্য আইন পাশ করে বের হই একটি বিষয় লক্ষ্য করি আমাদের সাধারণ মানুষের মধ্যে মামলা নিয়ে অনেক জানার ঘাটতি রয়েছে। যার কারণে আমরা নিত্যদিন নানান হয়রানি বা সমস্যায় পড়ি। ফৌজদারি কার্যবিধি মূলত একটি পদ্ধতিগত আইন যেখানে বলা আছে কিভাবে বাংলাদেশের ক্রিমিনাল কেসগুলো চলবে। আদালত এবং আইনজীবীরা মূলত এই ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে …

বিস্তারিত পড়ুন

ক্রসফায়ার অথবা আদালত বন্ধ করুন

বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে টেকনাফ, কক্সবাজার জেলার আওতাধীন একটি উপজেলা। সাগর আর পাহাড়ের বিশালতা অন্যরকম মাত্রা দিয়েছে কক্সবাজারকে। পৃথিবীর নানান প্রান্ত থেকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটে আসেন হাজার হাজার পর্যটক। কক্সবাজার আসলে কেউ বান্দরবান পার্বত্য এলাকা না ঘুরে ফিরে যান না। কক্সবাজার থেকে বান্দরবানের দুরত্ব অল্প। বান্দরবানের নাইক্ষংছড়ি, টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ, জিরো পয়েন্টসহ চারপাশ ঘেরা বাংলাদেশ মায়ানমার সীমান্ত। আর পর্যটন শহরকে কেন্দ্র করে এখানে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে উঠেছে মরণঘাতী মাদক ইয়াবার …

বিস্তারিত পড়ুন

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন চাই

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল নয়, সংশোধন দরকার। আমরা যারা আইনজ্ঞ, সাধারণ পিউপিল, পাবলিক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল চাচ্ছি তাদের মধ্যে ক’জন আইনটি পড়ে কিংবা বাংলাদেশের পরিপেক্ষিত বিবেচনা করেছি তা আমার আন্দাজে ধরে। ২০১৩ সালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন প্রণীত হয়েছিলো আবার একই ধাচের সংশোধিত পরিবর্ধিত জিনিস ২০১৮ সালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। আই আইন করে অব্যহতি দিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনকে। না না, আইন প্রণয়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলছি না। …

বিস্তারিত পড়ুন

জর্জ ফ্লয়েড : বর্ণ বৈষম্য ও নিপীড়িত মানুষের আর্তচিৎকার

কালো আর সাদা বাহিরে কেবল, ভেতরে সবার সমান রাঙা- মানুষ জাতি কবিতায় মানুষের ভেদাভেদ দূর করে সবমানুষকে সমান বানিয়েছেন। বর্ণবাদ শব্দটি দ্বারা মূলত শরীরের রং দ্বারা মানুষে মানুষে ভেদাভেদ বুঝায়। সেই অতীত কাল থেকে শুরু করে আজকের আধুনিক সমাজেও বর্ণবাদ আমাদের অস্থিমজ্জায় গেথে আছে। আমরা সম্ভবত এই বর্ণবাদের বিষয়টি পুরোপুরি দূর করতে চাই না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশ হেফাজতে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে নতুন করে বিষয়টি সামনে চলে এসেছে। …

বিস্তারিত পড়ুন

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে আইন যেভাবে ভূমিকা রাখতে পারে

কভিড-১৯ অথবা করোনাভাইরাস এমন একটি সংক্রামক রোগ যার সংক্রমণ হয় শারিরীক দুরত্ব বজায় না রাখলে মানে শারিরীক সংঘবদ্ধ থাকলে। বর্তমানে বিশ্বে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাস বাংলাদেশে ভয়াভয় রূপ নিতে যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে হাজারের অধিক লোক এই ভাইরাসে আক্রান্ত। বাংলাদেশের জনসাধারণের মাঝে এখনো করোনাভাইরাস নিয়ে যথেষ্ট সচেতনতা তৈরি হয়নি এবং এর প্রধান তিনটি কারণ সনাক্ত করা যেতে পারে। প্রধানত বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ দরিদ্র এবং ধর্মভীরু ও কুসংস্কারছন্ন এবং তথাকথিত অবহেলাপ্রবণ। দেশের …

বিস্তারিত পড়ুন

চীনের করোনাভাইরাস থেকে বাঙলাদেশের ব্যঙ্গব্যাধি

শেষ খবর পাওয়া অব্দি ১৬২৩২ জনের মৃত্যু ঘটিয়েছে করোনাভাইরাস আর তামাশাপ্রিয় বাঙালির মনে লেগেছিলো ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় রঙ। ইতালির পার আউয়ার মৃত্যু দেখে থমকে গেছে পৃথি,  তারপরেও যেনো আমরা স্বাচ্ছন্দ্যে বেঁচে থাকছি, ঘুরছি-ফিরছি। সমাধানহীন কিছু প্রশ্ন! চীনসহ যখন ১০৬ টি দেশে করোনাভাইরাস মারাত্মক রূপ ধারণ করেছে তখন থেকে চিন্তা করলে বাংলাদেশ সরকার সকল আন্তর্জাতিক এরাইভাল কি অফ করতে পারতো না? আচ্ছা এরাইভাল হুট করে বন্ধ করা না গেলেও সরকার কি …

বিস্তারিত পড়ুন

মিসেস জিয়ার মুক্তি ও আমাদের অর্থনীতিতে করোনার প্রভাব

আজ ২৪ মার্চ সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুপারিশে মুক্তির সিদ্ধান্ত হয়েছে৷ মুক্তির শর্ত দুইটা, ১.বাসায় থাকতে হবে ২. বিদেশ ভ্রমণ করতে পারবেন না (শর্তগুলো খেয়াল করুন) মিসেস জিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয় ফৌজদারির কার্যবিধির ৪০১ (১) ধারায়। এই ধারায় ক্রিমিনাল কেসের উপর সরকারের বিশেষ ক্ষমতা আছে৷ মিসেস জিয়াকে মুক্তির সিদ্ধান্ত হয়েছিল গত ফেব্রুয়ারিতে। গত ১১ ফেব্রুয়ারি ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত কেনেথ জুস্ট বাংলাদেশ সফর …

বিস্তারিত পড়ুন

এক গুম হয়ে যাওয়া হিন্দু পরিবারের বিরক্তিকর গল্প

১৯৮৭ সাল। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার (বর্তমান বিজয়নগর উপজেলা) নিদারাবাদ গ্রাম। শশাঙ্ক দেবনাথকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কেউ জানে না তিনি কোথায়। পরিবার জানে না, গ্রামবাসী জানে না। দুই বছর পর, তখন ১৯৮৯ সাল। এবার উধাও হয়ে গেল শশাঙ্কের পুরো পরিবার। একরাতেই হাওয়া। শশাঙ্কের স্ত্রী বিরজাবালা ও তার পাঁচ সন্তান। গ্রামের দুতিনজন বললেন, শশাঙ্ক আগেই ইন্ডিয়া চলে গিয়েছিল। তারপর সুবিধা বুঝে তার স্ত্রী ও ছেলেমেয়েদের নিয়ে গেছে। গল্প শেষ। ইতোমধ্যেই কয়েকজন …

বিস্তারিত পড়ুন

সংকটাপন্ন ও ক্রান্তির পথে আদিবাসী অস্তিত্ব এবং রাষ্ট্রীয় সরকারের হীন দৃষ্টিভঙ্গী

পার্বত্য চট্টগ্রামের বর্তমান প্রেক্ষাপথ বিবেচনায় আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর অস্তিত্ব এখন চরম সংকটাপন্ন ও ক্রান্তির অবস্থানে দাড়ানো। পাহাড়ের প্রকৃতিও এখন বেশ হতাশ। যাপিত বাস্তবতার উপত্যকায় দাড়ানো জীববৈচিত্রতার আর্তচিৎকার। প্রকট ধ্বনিত পাহাড়ের ক্রন্দন। সবমিলিয়ে পাহাড় কিংবা পার্বত্য চট্টগ্রামের বাস্তবতা এবং পাহাড়ের সহজ সরল আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীগুলোর অস্তিত্ব ব্যাপক হুমকির মূখে পতিত। একসময় পাহাড় অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমির অনুকূলে বেশ সবুজ ছিলো, কিন্তু এখন আর নেই। সবুজ পাহাড়কে বিবর্ণ করা হয়েছে। চরম বিবর্ণ!!! যে বিবর্ণের হিংস্র …

বিস্তারিত পড়ুন

গ্রেফতার এবং পুলিশ রিমান্ডের অপব্যবহার : বাংলাদেশ পরিপ্রেক্ষিত

একটি দেশের জন্য তিনটি অঙ্গ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যথা আইন প্রণয়ন বিভাগ, বিচার বিভাগ ও শাসন বিভাগ। একটি অঙ্গ আরেকটির সাথে জড়িত এবং একইসাথে কাজ করে এই বিভাগগুলো। বিশেষ করে শাসনবিভাগ সরাসরি জনমানুষের সাথে সম্পৃক্ত। বিচার বিভাগ মানে আদালতের আদেশ কার্যকর করতে তারা সবচেয়ে বেশি কষ্ট করে। শাসন বিভাগে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা হিসেবে সাধরণত পুলিশকে আমরা গুরুত্বসহকারে এবং প্রাথমিকভাবে দেখে থাকি। এরমধ্যে অনেকবার সরাসরি পুলিশের ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। দেখা গেছে …

বিস্তারিত পড়ুন

পার্বত্য চট্টগ্রামে কার উন্নয়ন, কীসের উন্নয়ন?

পার্বত্য চট্টগ্রামে সরকারের উন্নয়নের বুলি শুনতে শুনতে যেন কান ঝালাপালা হয়ে গেছে। যেন উন্নয়ন হলেই পার্বত্য চট্টগ্রামে সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন হচ্ছে বলেও সরকারের দিক থেকে হার হামেশাই বলা হচ্ছে। কিন্তু আদতে কি তাই? আসুন একটু তলিয়ে দেখা যাক- ১। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুদত্ত চাকমা বলেছেন- “পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলায় দারিদ্র্যের হার এখনো ৪৮ শতাংশের ওপর রয়ে গেছে”। গত ৫ …

বিস্তারিত পড়ুন

পার্বত্য চট্টগ্রামে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা নিয়ে কিছু কথা

বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন গত ১৬ ও ১৭ অক্টোবর পার্বত্য চট্টগ্রাম সফর করে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক বৈঠক ও আলোচনা সভা করেছেন। ১৬ অক্টোবর তিনি হেলিকপ্টারযোগে প্রথমে খাগড়াছড়ির রামগড়ে যান এবং সেখানে একটি থানা ভবন উদ্বোধন করেন। এরপর ঐ দিন বিকালে তিনি রাঙামাটিতে গিয়ে তিন জেলার সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকজনের সাথে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। পরদিন একই বিষয়ে তিনি রাঙামাটি সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে সরকারি দলের এমপি-মন্ত্রী, তিন …

বিস্তারিত পড়ুন

আবরার হত্যা: নতুন কিছু নয়

ধর্মনিরপেক্ষতা কোন আদর্শ নয়। প্রত্যেক ব্যক্তির চিন্তা যেন অন্যের দ্বারা বাঁধাপ্রাপ্ত না হয় তা নিশ্চিত করবে। ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের নিজস্ব কোন নির্দিষ্ট মতাদর্শ নেই। তাহলে কোন রাষ্ট্র যদি বিশেষ চিন্তাকে গুরুত্ব দেয়, অধিকাংশ ব্যক্তির একই চিন্তাকে সিদ্ধান্ত আকারে নেয়, তা ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হতে পারে না। সংখ্যাধিক্য গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সঙ্গে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের এখানেই চরম বিরোধ খুঁজে পাওয়া যায়। আমার দেখি, প্রাচীন দার্শনিক প্লেটোর আদর্শ রাষ্ট্রচিন্তা গ্রহণ না করে, মধ্যযুগের রাষ্ট্রগুলো ধর্মীয় আদর্শ …

বিস্তারিত পড়ুন

পাহাড়ে সেনাতন্ত্রের দাবানলে হুমকির মূখে আদিবাসীদের জাতীয় অস্তিত্ব

আমরা দেখেছি বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পর থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামের বাস্তবতা কেমন ভয়াভহ ছিলো। ৯ মাস ব্যাপী রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ৩০ লক্ষ বাপ-ভাইয়ের জীবন উৎসর্গ ও দুই লক্ষ মা-বোনের ইজ্জত লুন্ঠনের বিনিময়ে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনে সক্ষম হয় বাংলাদেশ নামক দেশটি। বাঙালী জাতীর স্বাধীনতা লাভের মূলে ব্যাপক পরিসরের ভূমিকা ছিলো আদিবাসীদেরও। পার্বত্য চট্টগ্রাম হলো আদিবাসীদের আবাসভূমি। ৭১ সালে সদ্য স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশ নামক দেশটির একটা অংশ ছিলো পার্বত্য চট্টগ্রাম। বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের …

বিস্তারিত পড়ুন

আদিবাসী লক্ষ লোকের মরণ ফাঁদ, কাপ্তাই বাঁধ!!!

কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণের কাজ ১৯৫২ সালে শুরু হয় এবং শেষ হয় ১৯৬২ সালে।এতে পার্বত্য চট্টগ্রামের মোট ৩৬৯টি মৌজার ১৫২টির মোট ১৮ হাজার পরিবারের প্রায় ১ লক্ষ লোক উদ্বাস্ত হয়।এই ১৮ হাজার পরিবারের ১০ হাজার পরিবার কর্ণফুলী, চেংগী,কাসালং এবং আর ছোট ছোট কয়েকটি নদী উপনদীর অববাহিকার চাষী এবং বাকী ৮ হাজার পরিবার জুম চাষী।ক্ষতিগ্রস্ত সর্বোচ্চ লোককে পূনর্বাচনের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম ম্যানুয়েল সংশোধন করা হয় এবং সংশোধিত ধারায় বলা হয় যে,এখন থেকে …

বিস্তারিত পড়ুন

বিতর্কিত ৫৭ ধারা আইন বাতিল করে অবিলম্বে ইমতিয়াজ মাহমুদ স্যারকে মুক্তি দেওয়া হোক

২০১৭ সালের ১৭ই জুন ফেইসবুকে সাম্প্রদায়িক উস্কানির অভিযোগ নিয়ে শফিকুল ইসলাম নামের এক উগ্র সেটেলার বাঙালী খাগড়াছড়ি সদর থানায় ৫৭/২ ধারার আইনে মুক্তমনা লেখক, ব্লগার ও বিশিষ্ট আইনজীবি ব্যারিস্টার “ইমতিয়াজ মাহমুদ” স্যারের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন, তেমন একটা ফায়দা লুঠানো সম্ভবপর হয়নি উগ্রবাদীদের। তারই প্রেক্ষিতে আজ সকালে আবার সেই পুরোনো ৫৭ ধারার নামে যে কালো আইন আওয়ামীলীগ সরকার কতৃক সৃষ্ট করা হয়েছিলো, সে আইনে “ইমতিয়াজ মাহমুদ” স্যারকে গ্রেফতার করেছে …

বিস্তারিত পড়ুন

নতুন ভাবনার প্রেক্ষাপথ

দেশের চলমান বাস্তবতা বিবেচনার দিক থেকে জনগণের বাকশক্তি খুব একটা নাগরিক অধিকারের কাছাকাছি কিংবা সংস্পর্শে নেই বললে চলে।মুক্তচিন্তার হৃদস্থল থেকে দেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে টু শব্দ করাও দোষের।পিছু ছুঁটে সবসময় গ্রেফতারের ভয়!প্রাণনাশের হুমকির ভয়।তবে যারা সত্যকারের মুক্তমনার অধিকারী হয় তারা কখনো মৃত্যুর ভয়কে পরোয়া করেনা।তারা লিখে চলে অবিরাম যতদিন থাকে কলম শক্তি।সেসব মুক্তমনা লেখকরা বিশ্বের দরবারে তাদের লেখনীর মধ্য দিয়ে  সত্যকে তুলে ধরে মৃত্যুর শপথ নেয়।যেমনটা সেই শপথ নিয়ে মৃত্যুকে …

বিস্তারিত পড়ুন

মিডিয়া ট্রায়াল, ভয়ংকর রায়ের আদালত

আমরা ভীষণ ব্যস্ত। এতটুকু সময় নেই যে চিন্তা-ভাবনা করে সত্য খবর সংগ্রহ করে পরিবেশন করার। ফেসবুক স্ক্রল করতে গিয়ে চোখে পড়ে যায় হরেক রকমের খবর। বিশ্বাস্য-অবিশ্বাস্য সবই পড়লে মনে হবে বিশ্বাস না করার কোন উপায় বাকি নেই। মানুষ দিন দিন যান্ত্রিক হয়ে পড়ছে, প্রযুক্তির উপর মানুষের এতো নির্ভরশীলতা বাড়ছে যা অভাবনীয়। আপনার চোখে পড়ার কথা, ফেসবুক পাতা স্ক্রল করতে গিয়ে প্রায় সময় দেখে থাকবেন র‌্যাব কিংবা পুলিশের মিডিয়া সেন্টারগুলোতে অনেকগুলো …

বিস্তারিত পড়ুন

পরকীয়া অপরাধ, আত্মহত্যা সমাধান নয়

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বেশ গালাগাল চলছে আকাশ-মিতু টপিক নিয়ে। একপক্ষ যেমন আকাশের পক্ষে সমর্থন জানিয়ে লিখছেন অন্য আরেক পক্ষ লিখছেন মিতুর পক্ষে। ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া কয়েকটা ছবি আর ভিডিও নিয়ে ফেসবুকবাসী সহজ বিচার করে জাজমেন্ট দিয়েও দিচ্ছেন। মিতু নিজের মুখে স্বীকার করেছে তার পরকীয়ার কথা। অন্যদিকে ডা: আকাশের স্যুইসাইড নোট পড়ে দেখা যায় মিতুর পরকীয়া সে বিয়ের অনেক আগে থেকেই জানতো এবং চক্ষুলজ্জা তাকে প্রকাশ করতে দেয়নি। মূল প্রসঙ্গে …

বিস্তারিত পড়ুন
error: আমার কলম কপিরাইট আইনের প্রতি শ্রদ্ধশীল সুতরাং লেখা কপি করাকে নিরুৎসাহিত করে। লেখার নিচে শেয়ার অপশন থেকে শেয়ার করার জন্য আপনাকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।