কবিতা

বাদলধারা মনে করে দেয়

দূর গগনে মেঘরাশি জড়ো হয়ে ধরায় প্রকৃতি মাঝে আবির্ভূত হয় কালো মেঘাছন্ন দিন অথবা রজনীতে ছোঁয়াতে। প্রকৃতির রূপ বদলে সাঙ্গ নিয়ে মানবরা হয়ে উঠে ঐ রূপের দর্শক! ধরার সর্বত্রে এক যেন আমেজ চারদিকে শন শন করে পবন বইতে থাকে। পবনে শুষ্কতায় নেমে আসে বাদল ধারা এই সবই প্রকৃতি নিয়মানুবর্তীতা। কখনো বাদল নামে অন্ধকার মেঘাছন্ন আভাস দিয়ে, কখনো মেঘের গুড়ুম গুড়ুম গর্জনে, কখনো বা মেঘের গর্জনে পালা বাড়িয়ে। আকস্মিক বিদ্যুৎ মতো …

বিস্তারিত পড়ুন

কেউ কিচ্ছু জানেনা

নিশুতি রাতটা ঘুমিয়ে গেলে শহরেঘুমহীন ওরা দাঁড়িয়ে থাকে দূয়ারে ,অপেক্ষায় আছে কখন নরবে কড়া আর ঘুঁচবে ওদের অনাহারীর খড়া ৷কেউবা বলে বেশ্যা কেউবা পতিতাওরা জানে আমার আসল চরিত্রটা ,জানে আমার দূর্গন্ধময় মনের কথাযা ওরা প্রতিনিয়ত দেয় ধামাচাপা ৷সুই সুতোয় অভিমানকে বন্দী করেবুকচাপা বোবাকান্নাগুলো ঘাম হয়ে ,বারেবারে তোমার ললাট যায় ছুঁয়েতুমি আমি কেউই দেখেনি তাকিয়ে ৷আঁকড়ে ধরি যখন বীর্যস্থলন সুখেতখন জাত যায়না পতিতার স্পর্শে ,অথচ সাধু সাজি দিনের আলোতেভ্রু কুঁচকে দেখি …

বিস্তারিত পড়ুন

মানবতার অবক্ষয়

মানবতার অবক্ষয় সভ্যতা আধুনিকতার ছোঁয়ায়, যতই উন্নতি লাভ করছে ততই কত মানুষের মনগুলো পাষাণ হচ্ছে! মানুষেরা ভুলে যাচ্ছে মানবিকতা, মানুষেরা ভুলে যাচ্ছে মনু্ষ্যত্ববোধ, মানুষেরা ভুলে যাচ্ছে পরমতসহিষ্ণুতা, আর যে কত গুণই! আমরা মৌলিকঅধিকারহীন পথশিশুরা বলতেছি, হে মানুষ,আমাদের শুষ্ক চেহারা,বস্ত্রহীন দেহ,পরিপূর্ণতাহীন উদর দেখে একটুও কি মায়া হয় না? আমরা কি সৃষ্টির সেরা মানুষ হিসেবে বিবেচিত নয়? মানুষ এমনই হতে থাকবে, আমি চারপা বিশিষ্ট প্রাণী বলতেছি, হে মানব, আমরা কি তোমাদের নিত্যদিন …

বিস্তারিত পড়ুন

প্রকৃতির নিবিড় চলা

পূর্ব দিগন্তে সূর্যি মামা উঁকিয়ে নতুন প্রভাতে সূচনা হয়। গাছে-গাছে পাখ-পাখালি কূজনে শ্রুতিমধুর হয়ে উঠে ভূবন। ছোট্র ছেলেটি ও কেঁদে ভাঙ্গে নয়নের নিদ্রা। কারো বা নয়নের নিদ্রা জাগে ভোরের পাখ-পাখালি কূজনে, কারো বা জাগে প্রকৃতির নিয়মানুসারে। কেউ বা ছুটে বেড়ায় প্রকৃতির দর্শনে কেউ ছুটে বেড়ায় জীবিকার সন্ধানে। কেউ বা ছুটে বেড়ায় অন্নের সন্ধানে এই যেন প্রকৃতির সাথে তালমিলিয়ে চলা। সূয্যি মামা আলোয় আলোকিত হয় এই অপরূপ সজ্জিত ভূবন। সূ্র্য্যের আলোয় …

বিস্তারিত পড়ুন

প্রকৃতি কিংবা ঈশ্বর

সময় ফুরিয়ে যায়, প্রেমিকার গাঢ় চুম্বনহীন। ছোট্ট শিশুটি কতদিন হাঁটেনা তার পিতার বুড়ো আঙুল ধরে সবুজ ঘাসে। প্রতিটি জলজ্যান্ত মাছ, পাখি, বৃক্ষ এখানে রঙিন হয়ে দৌঁড়োয়। মশা এবং হাতির প্রাণ এক ও অভিন্ন আমরা অহরহ মশাকে হত্যা করেছি, কিন্তু বাঁচাতে চেয়েছি একটি হাতিকে, স্থুলকায় দেহ বুঝি এ তফাৎ সৃষ্টি করে। মানুষ কি এমন ছুটি চেয়েছিলো? বাস্তব প্রকৃতিকে আমরা আদর করে ডাকি ঈশ্বর। ঈশ্বর কখনো চায়নি তার মৃত্যু, তবুও আমরা খুনি …

বিস্তারিত পড়ুন

যে জলে আগুন জ্বলে

নারী নারী তুমি আছো বলেই পেয়েছি মায়ের আদর, স্নেহে পুষ্প চন্দনে, পাঁপড়ি ছোয়া গন্ধে পুলোকিত ঘ্রান। নারী, তুমি আছ বলেই প্রেমের সাথে ভালবাসার প্রলাপন, ভাললাগে অবসর, বৃষ্টির অবিরাম ঝর ঝর, স্মৃতিতে এই যেনো সুখের প্রজ্ঞাপন। নারী, তুমি আছো বলেই পৃথিবী আজ এত বেশী পছন্দ করে প্রসাধন অলংকার আর বেনারসি শাড়িতে বিয়ের আয়োজন। নারী, তুমি আছো বলেই পুরুষ তার পূর্ণতা পেয়েছে এত সুুন্দর, পুষ্পকলির ফুটন্ত যৌবনে নব্য শিশুর বরন নারী, তুমি …

বিস্তারিত পড়ুন

পরাধীনতার কবর

যখন অশালীন আগুন মানবতা, নীতি ও আদর্শকে গ্রাস করে ; তখন জ্বলন্ত আগুনের মতো চিৎকার করে রাষ্ট্রের প্রান্তর । আর একটা পাগল ক্রোধের আগুনে এই শহরটাকে জ্বালিয়ে দেয় ; এবং ঘৃণার চোখে তাকিয়ে থাকে এ পোড়া শহরের আঙিনায় । যখন এই শহরের কোন ব্যালকোনীতে বসে ধর্ষনের খবর পড়ি ; তখন মনে হয় যেন আত্মঘাতী হই আর যা ইচ্ছা হয় তাই করি । প্রতিনিয়ত যখন ভঙ্গুর শরীর থেকে জীবন ছিনতাই হয়ে …

বিস্তারিত পড়ুন

খুন

জীবনের খাতায় পুরো অধ্যায় বদলে যাচ্ছেঅদৃশ্য অস্ত্রে রক্তপাতহীন ভাবে যুদ্ধ চলছে ;প্রতিনিয়তই এখানে মানুষকে খুন হতে হচ্ছে । সংঘর্ষ ছাড়াই সম্মুখ থেকে খুন হয়ে যাচ্ছেআর লাশগুলো পৃথিবীর মর্গে পড়ে থাকছে ;আবার স্বজন সৎকার ছাড়া সমাধিস্ত হচ্ছে । এখানে জীবিকার সাথে স্বপ্ন হারিয়ে যাচ্ছেআর প্রতিনিয়ত জীবিত মানুষেরা খুন হচ্ছে ;আকাশ জুড়েও চিল শকুনের উল্লাস চলছে । মসজিদ মন্দির গীর্জা সবই আজকে ফাঁকাসর্বশক্তিমানও উপসানালয়ে আজকে একা ;ধর্ম আর অধর্মের যুদ্ধে মানুষই হচ্ছে …

বিস্তারিত পড়ুন

মানুষ তুমি মানুষ হও

সারা পৃথিবী আজ বাঁচার জন্য লড়ছে ঈশ্বরের সামনে নতজানুই বসে থাকছে ; সকলে থাকতে চায় মহাবিশ্বের উপরে মুখোশের উপরে আরেক মুখোশ পড়ে । ক্ষমতার দম্ভ নেই আজ পৃথিবীর বুকে অহিংসা পরম ধর্ম বাণী সকলের বুকে ; কাঁধে কাঁধ রেখে বাঁচার স্বপ্নটা দেখছে ব্রহ্মাণ্ডের এমন দৃশ্য কে কবে দেখেছে ? পৃথিবী জুড়ে আজ শুধুই মানুষ মরছে হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ভেদাভেদ ভুলেছে ; আলোর অপেক্ষায় পৃথিবীটাও বহমান জ্বালো আলো ঈশ্বর ;আল্লাহ ;ভগবান …

বিস্তারিত পড়ুন

অন্তর্ঘাত

তুমি এসেছিলে তাই- আমার স্বচ্ছ পাতার বুক জুড়ে সেদিন নেমেছিল শব্দের মিছিল। কত কোলাহলে কত উল্লাসে অনুভূতির গতিপথ তারা করেছিল পার। কোনো এক নদীর মতো, অথবা পাহাড়ের শরীর জুড়ে নেমে আসা সেই ঝর্নার মতোই তারা, বয়ে যেতে যেতে মিশেছিল সমুদ্রের নৈকট্যে। তারপর জীবন জুড়ে শুধু তোমার আমার ঢেউ নিবিড় জলরাশির ভেতর সেদিন লিখে রেখেছিল প্রেম। আজ অভিমানী নদী বিদিশার গতিপথে ফিরে যেতে যেতে- তপ্ত বালুকার বুকে রেখে গেছে আমার শাশ্বত কালের …

বিস্তারিত পড়ুন

ফেরার আশা

অশ্রু আর বিষাদে ভরা আজ সারা পৃথিবী ; পৃথিবীর বারান্দা জুড়ে শুধু ভয় আর ভীতি জাতি ধর্ম বর্ণ মিলে মিশে গড়েছে সম্প্রীতি । সারা পৃথিবীটাই আজ হয়ে আছে গৃহবন্দী ; ভুলে গেছে সবাই আজ কে কার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রত্যেকে নিজের ঘরের কন্ডেম সেলে বন্দী । সাহস আর ক্ষমতার নেই কোনই বাহাদুরী ; মৃত্যুর ভয়ে ভীত আজ পৃথিবীর সব নগরী প্রতিটি ঘরই আজ একটা করে জেলবাড়ি । পৃথিবীর প্রচ্ছদ জুড়ে আজ মৃত্যুর …

বিস্তারিত পড়ুন

কবিতার থোকায় ফুটেছে কিংশুক ও প্রেমা

গত বৈশাখে তোমার সাথে দেখা না হয়ে বুদ্ধের সাথে দেখা হলে বেঁচে যেতাম, যেকারণে, এই বৈশাখেও কি দেখা দেবে বুদ্ধ কিংবা ঈশ্বরী প্রেমা! প্রতিনিয়ত ঋতু বদলে যাচ্ছে তারপরেও, শব্দ প্রসবের যন্ত্রণা এই বর্ষেও গেলো না। তবুও শুভ নববর্ষ ১৪২৭ —— জীবনানন্দের মতো করে প্রতিটি কবিতার মগজে যদি নক্ষত্রপুঞ্জ গুঁজে দেওয়া কিংবা কিংশুক ফুটিয়ে দিতে পারতাম। আহা জীবন বৈশাখের বাসন্তী হলেও পারতো চৈত্রের সংক্রামিত সংক্রান্তি না হয়ে! —— দ্যাত শালা আবারো …

বিস্তারিত পড়ুন

স্বাধীন স্বাধীনতা

স্বাধীনতা !পেয়েছো কি তুমি পূর্ণতানাকি আজো সংবিধানেই আটকা ৷কোথায় তুমি স্বাধীনতা ?এদিক ওদিক কৈ আমি তো দেখছিনা ,নাকি বুক সেল্ফে দিয়েছো গা ঢাঁকা ৷স্বাধীনতাতুমি কি সেই স্বাধীনতাআছে যার একঝুড়ি বীরত্বগাথাযে ঋন কোনদিন শোধতো হবার না ৷স্বাধীনতা আমি চাই সেই স্বাধীনতাশৃংখল থেকে মুক্তি পাওয়া সেই স্বাধীনতাস্বাধীনতার নামে উশৃঙ্খলতানা চাই না আমি সেই স্বাধীনতা ৷স্বাধীনতা !তোমার বুকে আজও ঘোরে সেই শকুনেরাআমার মা,বোন যাদের কাছে হয়েছিলো ধর্ষিতা ৷স্বাধীনতাআমি চাই সেই স্বাধীনতাযে দেবে আমায় …

বিস্তারিত পড়ুন

প্রিয়দর্শিনী

তোমারে দেখেছিলাম সাঁঝের বেলা ফাঁকা রাস্তা ওই বুড়ি বিলের ধার, ডুব সূর্যের রক্ত-দীপ্ত মুখমণ্ডল রাঙা। সাঁঝের মায়া বুঝিনি আগে, যদি না দেখা হত তোমার বুঝেছি এখন দেখে তোমায় – ভুল খোয়াবে জেগে। এরপর দেখেছি দেখেছি তোমারে – বার বহুবার। বাস দাঁড়ানো ওই মোড়ে। রেলের সর্পিল রাস্তা ধরে, – আরো অনেকখানি। বসেছিলাম ওই প্লাটফর্মে তুমি আমি মুখোমুখি। দেখেছি তোমার হারিয়ে যাওয়া – ওই ভিড়ের মাঝে। তখনো ছিল সন্ধেবেলা – সাঝের মায়ার …

বিস্তারিত পড়ুন

সেই ভালো হতো

যদি মুর্খ হতাম সেই ভালো হতো লিখতে হতোনা আর তোমাদের কুকর্মগাথা বিসর্জিত হতোনা জীবন লিখে সত্য কথা ৷ যদি বোবা হতাম সেই ভালো হতো রাজপথে মিছিলে আর ধরতে হতোনা স্লোগান ঝরাতে হতোনা বুকের রক্ত আর এই প্রাণ ৷ যদি অন্ধ হতাম সেই ভালো হতো দেখতে হতোনা এই ভঙ্গুর সমাজের অবক্ষয় করতে হতোনা আর মিছে কান্নার অভিনয় ৷ আমি যদি পঙ্গু হতাম সেই ভালো হতো পায়ে হেঁটে যেতে হতোনা আর তোমাদের …

বিস্তারিত পড়ুন

বুলেট রাখো

আমার জন্য কোন ফুলের দরকার নেই তারচেয়ে বরং একটা বুলেট রেখে দাও , আমার কণ্ঠে প্রতিবাদ উচ্চারিত হবেই আমি বলতে পারবোনা তোমরা যা চাও ৷ আমার কোন সংবর্ধনারও দরকার নেই তারচেয়ে বরং একটা বুলেট রেখে দাও , এ মাথা যে নোয়াবার না কোন কিছুতেই যদি বুলেট রাখো কাজে লাগবে তবুও ৷ আমিতো আমার জন্য কভু বাঁচতে চাইনা আমি মানুষের জন্যই আজও বেঁচে আছি , তুমি শোষক আমি শোষিত ভুলে যেওনা …

বিস্তারিত পড়ুন

অব্যাক্ত ভালোবাসা

আজ বসন্তের এই বাসন্তী উৎসবে তোকে দেবো বলে বুক পকেটে করে একটা গোলাপ এনেছিলাম সাথে ৷ বাসন্তী রঙা শাড়ীতে তোকে দেখে ভালোবাসার মগ্ন চৈতন্যে হারিয়েছি নিজেকে ৷ বারবার বলতে ইচ্ছে হয়েছে , গাছের ডালে ফুল না ফুটলেও মনের বনে ভালোবাসার ফুল ঠিক ফুটেছে ৷ তারপর বসন্তের বাসন্তী উৎসব সেরে তোকে নিয়ে উন্মুক্ত রিক্সায় ঘোরাঘুরি পার্কে বসে বাদাম খাওয়া কফি সপে কফি এতো কিছুর পরেও গোলাপটা তোকে দিতে পারিনি ৷ আড়চোখে তুই …

বিস্তারিত পড়ুন

নতুন পথ চলা

চলছে এ এক আজব খেলা চারদিকে শুধুই মুখোশের মেলা , মানুষ খুঁজতে খুঁজতেই চলে যায় বেলা ৷ ব্যানার,ফেস্টুন,মানববন্ধনে দেখি কতশত স্লোগান ঝরে পড়ে , আপন গৃহে তারাই দেখি নির্যাতনও করে ৷ মানবতা সে শধু কথার কথা রুগ্নতায় জরা জীর্ণ আজ মানবতা , তবুও আশাবাদী ধ্বংস হবেই এ নগ্ন প্রথা ৷ বন্ধ হোক এই আজব খেলা যাক’না ভেঙে ঐ মুখোশের মেলা , আলোর পথে শুরু হোক নতুন পথচলা ৷ ভেঙে যাক …

বিস্তারিত পড়ুন

ভালোবাসি তাহারে

ভালোবাসি তাহারে আমি ভালোবাসি তাহারে,ভালোবাসি তাহার দুটি চোখ মিষ্টি চোখে বাঁকা চাহনি,তাহার কন্ঠে মধুর সুর তাহার দিকে তাকালে মনে হয় যেন ছদ্মবেশী দেবীর মুখ সে যেথা হয়তে আসিয়াছে মনে হয় সে স্থান এক অচিনপুর। শয়নে-স্বপ্নে,বাস্তবে দেখেছি তাহারে দেখেছি যতবার আমি পড়েছি তাহার প্রেমে, যত্ন করে বন্দী করিয়াছি মনের কারাগারে। যেমনি রূপ তাহার, তেমনি তাহার কাছে সব গুণের সমাহার, তাহাকে দেখিলে মনে হয়, অতীতে তাহার সাথে হয়েছে দেখা  অনেকবার। তাহাকে দেখিলে অনুভব …

বিস্তারিত পড়ুন

নিখোঁজ হবো

কোনো এক সন্ধ্যাবেলায় নিখোঁজ হবো আঁধারে, পাড়ি জমাবো ঠিকানাবিহীন প্রান্তরে। নিস্তব্ধ প্রান্তরে হবো ভবঘুরে পাখির মতো কাটাবো মুক্ত জীবন, ঘুরবো আমি বন বাদুড়ে। বুনবোনা রঙ্গিন স্বপ্ন,বাঁধবোনা কোনো আশা পরের তরে বিলিয়ে দিব সব ভালোবাসা, পাখির মতো গাইব মনের সুখে উড়ব মুক্ত আকাশে, আমায় দেখে অবুঝ শিশুটিও যেন প্রাণ খুলে হাসে। অভিমান করবোনা সেদিন অভিমানে লিখবনা কোনো কবিতা, আমার অনুপস্থিতিতে, তোমার ঘরে বাসা বাঁধবে নীরবতা।

বিস্তারিত পড়ুন
error: আমার কলম কপিরাইট আইনের প্রতি শ্রদ্ধশীল সুতরাং লেখা কপি করাকে নিরুৎসাহিত করে। লেখার নিচে শেয়ার অপশন থেকে শেয়ার করার জন্য আপনাকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।