কর্ম ও জীবন

মাসউদ শাফি : কবির শহর

প্রাগৈতিহাসিক বালির বৃত্ত, মৃত্তিকায় থরে থরে সাজানো পাহাড়, ইউ আকারে ঘিরে আছে সাগর। তার মাঝখানে মহেশখালি অক্ষরের বিম্বিত এক পুরাণের ভূমি। নাথ ও আদিনাথের বুক জুড়ে আধুনিক নাথনাথিনীর শহর। তার ফাঁকে জোছনা গলে যওয়া দ্যুতির মোজেজায় আলোকিত কস্তুরা ঘাট। তারপর কক্সবাজার ভূমি। বাইবৃক্ষ। প্রাচীন জাদি, বুদ্ধের জ্যোর্তির বলয়। খুরুস্কুল চৌফলণ্ডি গোমাতলী ঈদগাহ, ঈদগড়, গর্জনিয়া, নাইক্ষংছড়ি অপূর্ব সবুজের ভূখণ্ড। সেই বিস্তৃত মৃত্তিকা টেনে ধরে প্রতিটি কাল, অবাক কাল। তারপর মেহের ঘোনা, …

বিস্তারিত পড়ুন

কানা রাজা ও রহস্যভরা সুড়ঙ্গ : রাজা আমলের অদ্ভুত এক উপখ্যান

রামুতে আলোচিত একটি দর্শনীয় স্থানের নাম “কানা রাজার সুড়ঙ্গ” বা “আঁধার মানিক”। এটি রামুর কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের উখিয়ারঘোনা নামক গ্রামে অবস্থিত। এটি একটি গুহা,যার সৃষ্টি প্রাকৃতিকভাবেও হতে পারে, নয়তো কেউ কোন বিশেষ উদ্দেশ্যে এটিকে খননের মাধ্যমে তৈরি করেছিলো কয়েকশত বছর আগে। স্থানীয়ভাবে এই গুহাটি কানা রাজার গুহা নামে পরিচিত। এই গুহার ভেতরের দেয়ালে হাতে আঁকা বুদ্ধের ছবি সহ বৌদ্ধ ধর্মীয় বিভিন্ন ছবি আছে বলে জানা যায়। কিন্তু প্রশ্ন হলো যাঁর নামে …

বিস্তারিত পড়ুন

উঁ খিজারী : অবিভক্ত বাংলার অন্যতম শিক্ষানুরাগী ও দানবীর

খিজারীর জীবন খিজারী’র জন্ম রামুর হাইটুপি মৌজায় লাওয়ের পাড়ায়। পিতার নাম ফাপ্রু সওদাগর। যদিও তাঁর মাতার নাম এখনো জানা যায়নি। তাঁর স্ত্রীর নাম ড মি চ্যান ম্রা [Daw Mi Chan Mra]। বড় ছেলে ক্যা যান হ্লা [Khyaw Zan Hla] এবং ছোট ছেলের নাম কিয়াও হটুন [Khyaw Htoon]। ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে বড় ছেলের বয়স ছিলো ৩৫ বছর এবং ছোট ছেলের বয়স ১৮ বছর। কিয়াও হটুন তখন সেন্ট জেভিয়ার কলেজের জুনিয়র ক্যামব্রিজের ছাত্র। …

বিস্তারিত পড়ুন

সিদ্ধার্থের গৃহত্যাগ : বৌদ্ধ ধর্মের প্রথম পাঠ (২য় পর্ব)

আনন্দিত লাগছে যে, মহৎ একটি কাজে হাত দিতে পেরে। এই লেখাটি একটি অনুবাদকর্ম। গৌতম বুদ্ধের জীবন ও কর্ম নিয়ে লেখা দু’চারটিখানি কথা নয়। মূলত থাইওয়ান বুদ্ধিস্ট এডুকেশনাল ফাউন্ডেশন থেকে প্রাপ্ত কে.শ্রী ধম্মানন্দ ভিক্ষুর লেখা একটি বই “What Buddhists Believe” পড়ার পর মনে হলো মহামতি গৌতম বুদ্ধের মূল জীবন ও কর্ম বইটিতে যেভাবে আছে এর চেয়ে স্পষ্ট এবং সহজ করে কোথাও বর্ণনা করা হয়নি আগে। বিভিন্ন অধ্যায়ে বিভক্ত করে ভালোভাবে বিশ্লেষণ …

বিস্তারিত পড়ুন

গৌতম বুদ্ধের জীবন ও কর্ম : বৌদ্ধ ধর্মের প্রথম পাঠ (১ম পর্ব)

আনন্দিত লাগছে যে, মহৎ একটি কাজে হাত দিতে পেরে। এই লেখাটি একটি অনুবাদকর্ম। গৌতম বুদ্ধের জীবন ও কর্ম নিয়ে লেখা দু’চারটিখানি কথা নয়। মূলত থাইওয়ান বুদ্ধিস্ট এডুকেশনাল ফাউন্ডেশন থেকে প্রাপ্ত কে.শ্রী ধম্মানন্দ ভিক্ষুর লেখা একটি বই “What Buddhists Believe” পড়ার পর মনে হলো মহামতি গৌতম বুদ্ধের মূল জীবন ও কর্ম বইটিতে যেভাবে আছে এর চেয়ে স্পষ্ট এবং সহজ করে কোথাও বর্ণনা করা হয়নি আগে। বিভিন্ন অধ্যায়ে বিভক্ত করে ভালোভাবে বিশ্লেষণ …

বিস্তারিত পড়ুন

পন্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথেরো : সংক্ষিপ্ত কর্ম ও জীবন

ঊন্নিশো ত্রিশ সালের দশই জুন তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির (বর্তমান বাংলাদেশ) কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার পশ্চিম মেরংলোয়া গ্রামে হরকুমার বড়ুয়া এবং প্রেমময়ী বড়ুয়ার ঘরে জন্মগ্রহণ করেন বিধু ভূষণ বড়ুয়া। হরকুমার ও প্রেমময়ীর তৃতীয় এবং শেষ সন্তান হিসেবে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বিধু ভূষণ। অন্য দশজন ছেলের মতো শিক্ষা দীক্ষা নিয়ে বেড়ে উঠছিলেন বিধূ ভূষণ বড়ুয়া। মহামানব গৌতম বুদ্ধের অহিংস দর্শন এবং সংসার ত্যাগের অসীম বানীসমূহ দারুণভাবে নাড়া দিয়েছিলো বিধূ ভূষণের মনে। …

বিস্তারিত পড়ুন

পাহাড়ে সেনাতন্ত্রের দাবানলে হুমকির মূখে আদিবাসীদের জাতীয় অস্তিত্ব

আমরা দেখেছি বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পর থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামের বাস্তবতা কেমন ভয়াভহ ছিলো। ৯ মাস ব্যাপী রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ৩০ লক্ষ বাপ-ভাইয়ের জীবন উৎসর্গ ও দুই লক্ষ মা-বোনের ইজ্জত লুন্ঠনের বিনিময়ে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনে সক্ষম হয় বাংলাদেশ নামক দেশটি। বাঙালী জাতীর স্বাধীনতা লাভের মূলে ব্যাপক পরিসরের ভূমিকা ছিলো আদিবাসীদেরও। পার্বত্য চট্টগ্রাম হলো আদিবাসীদের আবাসভূমি। ৭১ সালে সদ্য স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশ নামক দেশটির একটা অংশ ছিলো পার্বত্য চট্টগ্রাম। বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের …

বিস্তারিত পড়ুন

আদিবাসী লক্ষ লোকের মরণ ফাঁদ, কাপ্তাই বাঁধ!!!

কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণের কাজ ১৯৫২ সালে শুরু হয় এবং শেষ হয় ১৯৬২ সালে।এতে পার্বত্য চট্টগ্রামের মোট ৩৬৯টি মৌজার ১৫২টির মোট ১৮ হাজার পরিবারের প্রায় ১ লক্ষ লোক উদ্বাস্ত হয়।এই ১৮ হাজার পরিবারের ১০ হাজার পরিবার কর্ণফুলী, চেংগী,কাসালং এবং আর ছোট ছোট কয়েকটি নদী উপনদীর অববাহিকার চাষী এবং বাকী ৮ হাজার পরিবার জুম চাষী।ক্ষতিগ্রস্ত সর্বোচ্চ লোককে পূনর্বাচনের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম ম্যানুয়েল সংশোধন করা হয় এবং সংশোধিত ধারায় বলা হয় যে,এখন থেকে …

বিস্তারিত পড়ুন

নেতাজী সুভাষের রাজনীতিই সমাধান

নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু যে রাজনৈতিক ধারা শুরু করতে চেয়েছিলেন তা আমাদের এই অঞ্চলের জন্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ ছিল বলেই মনেকরি। তাঁর রাজনৈতিক চেতনার জায়গাটা যদি আমরা পরিষ্কারভাবে বুঝতে চাই তাহলে আমাদের বুঝতে হবে “ফরোয়ার্ড ব্লক” গঠনের রাজনীতিকে। ফরোয়ার্ড ব্লক যে চেতনার আলোকে গঠিত হয়েছিল তাকে যদি অগ্রসর করা যেত তাহলেই একমাত্র এই অঞ্চলের রাজনৈতিক গতিমুখ সমাজতন্ত্র অভিমুখী হতো।কারণ সুভাষ বসুর আপ্রাণ চেষ্টা ছিল এই দেশের আলোকে সমাজতন্ত্রের বয়ান। এবং এই বয়ানই …

বিস্তারিত পড়ুন

বীর মুক্তিযোদ্ধা অরুণ নন্দী ; বাংলাদেশের সুপারহিরো

তখন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। প্রতিদিন শত শত মুক্তিযোদ্ধা ট্রেনিং নিয়ে যুদ্ধে যোগ দিচ্ছেন মাতৃভূমিকে মুক্ত করার প্রতিজ্ঞা নিয়ে। সেই সময় কলকাতার মাটিতে শরণার্থী ছিলেন বাংলাদেশের এক সন্তান, নাম অরুণ নন্দী। নিজের জন্মভূমির এ দুঃসময়ে তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন দেশের জন্য কিছু একটা করার, একেবারেই অন্যরকম কিছু। অন্ত্র হাতে নিয়ে শত্রুর বুকে গুলি চালানোর সামর্থ্য তার আছে। তবে তারচেয়েও বড় এক প্রতিভার অধিকারী তিনি, বিরতিহীন সাঁতরে যাবার অসাধারণ ক্ষমতা আছে …

বিস্তারিত পড়ুন

আমাদের বঙ্গবন্ধু

পৃথিবী সৃষ্টির পর থেকে আজ অবধি যুগে যুগে এমন সব ব্যক্তিত্বের আগমন ঘটেছে, যাদের হাত ধরে মানবতার মুক্তির সনদ রচিত হয়েছে। ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটারের এই ছোট্ট ভূ-খন্ডটির জন্মের সাথে যার নাম অঙ্গাঙ্গীকভাবে জড়িত তিনি আর কেউ নন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। গোপালগঞ্জ জেলার মধুমতি নদীর তীরবর্তী টুঙ্গিপাড়া গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে শেখ লুৎফুর রহমান ও সাহেরা খাতুনের ঘর আলোকিত করে ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ (বাংলা …

বিস্তারিত পড়ুন

সাহিত্যরত্ন মুহাম্মদ নজিবর রহমান

বেশকিছুদিন হলো লেখালেখির দিকে ঝুঁকে পড়েছি। মন চাইলে কখনও কখনও লিখে ফেলি ছড়া, কবিতা ও গল্প। যা বিভিন্ন সাহিত্য ম্যাগাজিনে ইতিমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে। যৌথ প্রকাশনায় কবিতা গ্রন্থ প্রকাশ হলেও এখনও একক কোন গ্রন্থ প্রকাশ করতে পারিনি। অর্থ সংকট আছে বটে। তবুও আশা করি একদিন না একদিন গ্রন্থ বের করবোই। সাহিত্য ম্যাগাজিনে খুব বেশি যে পরিচিত হয়েছি তা কিন্তু নয়।তবে একথা সত্য যে অনেক সাহিত্যমনা মানুষের সাথে পরিচয় হয়েছে। যারা বাংলা …

বিস্তারিত পড়ুন

আরজ আলী মাতুব্বর : মুক্তচিন্তা ও যুক্তিবাদী দার্শনিক

আরজ আলী মাতুব্বর ১৯০০ সালের ১৭ই ডিসেম্বর (বাংলা ১৩০৭ বঙ্গাব্দের ৩রা পৌষ) তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতে বরিশাল জেলার অন্তর্গত চরবাড়িয়া ইউনিয়নের লামছড়ি গ্রামে এক দরিদ্র কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম এন্তাজ আলী মাতুব্বর। তার মা অত্যন্ত পরহেজগার ছিলেন। পরিবারে তারা ছিলেন পাঁচ ভাইবোন। আরজ আলী মাতুব্বরের প্রকৃত নাম ছিলো ‘আরজ আলী। আঞ্চলিক ভূস্বামী হওয়ার সুবাদে তিনি ‘মাতুব্বর’ নাম ধারণ করেন। আরজ আলী নিজ গ্রামের মুন্সি আবদুল করিমের মসজিদ দ্বারা …

বিস্তারিত পড়ুন

বিদ্যাসাগরের “নতুন মানুষ”

“এদেশের উদ্ধার হইতে বহু বিলম্ব আছে।পুরাতন প্রকৃতি ও প্রবৃত্তি বিশিষ্ট মানুষের চাষ উঠাইয়া দিয়া সাত পুরুমাটি তুলিয়া ফেলিয়া নতুন মানুষের চাষ করিতে পারিলে, তবে এদেশের ভাল হয়।” -ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বিদ্যাসাগর মহাশয়ের এই কথাটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। এই কথাটি দ্বারা আমরা তাঁর চিন্তাধারার বা মতামতের হদিশ করতে পারি। বস্তুত বিদ্যাসাগরের যথাযথ পর্যালোচনা ছাড়া কখনও আমরা অগ্রসর হতে পারবনা।তিনি যে জিজ্ঞাসা, যে তর্কসমূহ উত্থাপন করেছিলেন তার যথাযথ বোঝাপড়া আজও হয়নি বলে আমাদের এই …

বিস্তারিত পড়ুন

শান্তির দূত কফি আনান

প্রথমবারের মত কোনো কালো ব্যক্তি  জাতিসংঘের মহাসচিব হয়েছিলো।কফি আনান,পুরো নাম কফি আত্তা আনান।১৯৩৮ সালের ৮ ই এপ্রিল আফ্রিকার দেশ ঘানাতে যার জন্ম।বাবা ছিলেন একজন প্রাদেশিক গভর্নর,শিক্ষা জীবনের প্রথম ধাপ ঘানাতেই কেটেছিলো, পরবর্তীতে উচ্চ শিক্ষার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। ১৯৬২ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাজেট অফিসার হিসেবে শুরু করেন কর্মজীবন। ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পান।তার সময়ে পৃথিবী দুইটি বড় সংকটে পড়ে একটি হচ্ছে ইরাক যুদ্ধ এবং অপরটি হচ্ছে এইডস। দুইক্ষেত্রেই তিনি ছিলেন সরব।ইরাক যুদ্ধের বিরোধিতা …

বিস্তারিত পড়ুন

কার্ল মার্ক্স : জীবন ও দর্শন

কার্ল হাইনরিশ মার্ক্স (জার্মান: Karl Heinrich Marx জার্মান উচ্চারণ: [kaːɐ̯l ˈhaɪnʀɪç ˈmaːɐ̯ks] ) (৫ই মে, ১৮১৮ – ১৪ই মার্চ, ১৮৮৩) একজন প্রভাবশালী জার্মান সমাজ বিজ্ঞানী ও মার্ক্সবাদের প্রবক্তা। জীবিত অবস্থায় সেভাবে পরিচিত না হলেও মৃত্যুর পর সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবীদের কাছে তিনি জনপ্রিয় হয়ে উঠেন। বিংশ শতাব্দীতে সমগ্র মানব সভ্যতা মার্ক্সের তত্ত্ব দ্বারা প্রবলভাবে আলোড়িত হয়। সোভিয়েত ইউনিয়নে সমাজতন্ত্রের পতনের পর এ তত্ত্বের জনপ্রিয়তা কমে গেলেও তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে মার্ক্সবাদ এখনও অত্যন্ত …

বিস্তারিত পড়ুন

সুলতানা রাজিয়া দিল্লির সিংহাসনে বসা একমাত্র নারী শাসক

সুলতানা রাজিয়া, ইতিহাসে আলোড়ন সৃষ্টিকারী একটি নাম। ভারতবর্ষের ইতিহাসে দিল্লির সিংহাসনে বসা একমাত্র নারী। ৮০০ বছর আগে শাসন করেছেন গোটা ভারতবর্ষ। তিনি ছিলেন ভারতবর্ষের প্রথম নারী শাসক। এ ছাড়াও একজন যোগ্য সুলতান ও যুদ্ধক্ষেত্রে একজন দক্ষ সৈনিক হিসেবে ছিলো তার সুখ্যাতি। তীক্ষ বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে তিনি রাজকার্য পরিচালনা করেছিলেন।সুলতানা রাজিয়া জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১২০৫ সালে। দৃপ্ত কঠিন ক্ষণজন্মা এই নারীর জীবন প্রদীপ নিভে গিয়েছিল খুব অল্পদিনেই। সুলতানা রাজিয়ার বাবা শামস-উদ-দীন ইলতুৎমিশ ছিলেন …

বিস্তারিত পড়ুন

শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ; একজন অগোচর নায়ক

তাজউদ্দীন আহমদ (২৩ জুলাই ১৯২৫ – ৩ নভেম্বর ১৯৭৫) বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম নেতা। তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব সাফল্যের সাথে পালন করেন। একজন সৎ ও মেধাবী রাজনীতিবিদ হিসেবে তাঁর পরিচিতি ছিল। তাজউদ্দীন আহমদ মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন যা মুজিবনগর সরকার নামে অধিক পরিচিত। স্বাধীনতা পরবর্তীকালে তিনি বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী হিসাবে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ সালে …

বিস্তারিত পড়ুন

বাংলার প্রথম বিজ্ঞানমনস্ক লেখক অক্ষয়কুমার দত্ত

অনেকদিন ধরেই ভাবছি অক্ষয়কুমার দত্তকে নিয়ে কিছু একটা লেখা যায় কিনা। খোঁজে খোঁজে অক্ষয়কুমারকে আরো কাছ থেকে চেনার চেষ্টা চালাচ্ছি। বাংলার বিজ্ঞান চিন্তায় যে মানুষটির নাম আজীবন রয়ে যাবে তিনিই অক্ষয়কুমার। নিচে যা লিখেছি তা নিছক আমার পড়া কয়েকটি বইয়ের হুবুহু লাইন। অক্ষয়কুমার এমন একজন মানুষ যাকে কোন বাঙালি লেখকের সাথে তুলনা করা মানানসই নয়। প্রথম বিজ্ঞানমনষ্ক মানে বুঝতেই পরেন তিনি কতোটা স্বশিক্ষিত মানুষ ছিলেন। নিচে অক্ষয়কুমারের শিক্ষাজীবন, কর্মজীবন, ভাবধারা …

বিস্তারিত পড়ুন

আহমদ শরীফ : সাহিত্যের ইতিহাসে এক অমর গাঁথা

জন্ম ও পরিবারঃ তাঁর জন্ম ১৯২১ খ্র্রিষ্টাব্দে ১৩ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার সূচক্রদণ্ডী গ্রামে। পিতার নাম আব্দুল আজিজ ও মাতার নাম মিরাজ খাতুন। তাঁর পিতা আব্দুল আজিজ ছিলেন চট্টগ্রামের প্রধানতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম সরকারি কলেজিয়েট স্কুলের একজন করণিক। এ মুসলিম পরিবারের অন্দর মহলে শিক্ষার আলো ঢুকিয়েছিল উনিশ শতকেই। তাঁর ষষ্ঠ পূর্ব্বপুরুষ কাদের রজা সন্তানের জন্য কাজী দৌলতের সতী ময়না লোরচন্দ্রানী পুঁথিটি নিজ হাতে নকল করেছিলেন। তাঁর পিতামহ আইন উদ্দিন …

বিস্তারিত পড়ুন
error: আমার কলম কপিরাইট আইনের প্রতি শ্রদ্ধশীল সুতরাং লেখা কপি করাকে নিরুৎসাহিত করে। লেখার নিচে শেয়ার অপশন থেকে শেয়ার করার জন্য আপনাকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।