গল্প

তারাপদ রায়ের সেরা তিনটি হাসির গল্প

হাসি মানসিক বৈকল্যতার অন্যতম ঔষধ। সুস্থ থাকতে সুঠাম দেহের পাশাপাশি সুস্থ হাসির প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। তাই আজকের এই সংকলনের প্রয়াস। অবিভক্ত বাংলার অন্যতম শক্তিমান লেখক তারাপদ রায়ের আছে শক্ত এক হাসির গল্প সংকলন। বাস্তবিক অর্থে আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের সাথে মিলেমিশে একাকার হয়ে আছে তারাপদ রায়ের হাসির গল্পগুলো। মন খারাপ থাকলে তারাপদ রায়ের কান্ডজ্ঞানহীন, মাতাল সমগ্র, রম্যরচনায় ডুব দিই। তারাপদ রায়ের রম্যরচনা ও মাতাল সমগ্র থেকে পছন্দের তিনটি গল্প এখানে সংকলিত করলাম। …

বিস্তারিত পড়ুন

অপেক্ষা ও ইলেক্ট্রলাইট ইমব্যালান্স

(এক) জীবনে কত মানুষের সাথেই না আমাদের পরিচয় হয়। এমন অনেক মানুষের সাথে আমাদের দেখা হয়, কথা হয় খুব অল্প সময়ের জন্য,- হাট-বাজারে, বাস স্টান্ডে, রেলের কামরায়। হয়ত তাদের সাথে জীবনে কখনো আর দেখা হবেই না ! তেমনি, কখনো ভাবিনি এই গল্পটা এতদূর এগুবে। ১১ মে। বৈশাখের শেষ সপ্তাহ। এক সপ্তাহ বিষাদময় গরম শেষে গত দুদিন পাল্লা দিয়েছে কখনো তুমুল বৃষ্টি তো কখনো টিপটিপ বৃষ্টি। আজ সকাল অবশ্য রোদ ঝলমলে। …

বিস্তারিত পড়ুন

‘মা’ দিবসের গল্প ও ইতিহাস

আজকের ‘মা’ দিবসের দিনে মা-ছেলের একটা গল্প মনে পড়ে গেল। তখন আমি ক্লাস ফোরে পড়ি। খুবি দুষ্ট আর লজ্জা প্রকৃতির ছিলাম। এখনো অনেকটা এমনই। আমার মা ছিলেন স্বাভাবিক গঠনের চেয়ে একটু খাটো। তখনকার সময়ে আমি মায়ের চেয়ে অবশ্য খাটো ছিলাম। বাবা ছিলেন অনেকটা অন্য প্রকৃতির। তিনি তার কাজ-কর্ম নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন। তিনি আমাদের পড়াশোনার বিষয়ে এতো মাথা ঘামাতেন না। একবার স্কুলে অবিভাবক হিসেবে মা’কে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন পড়েছিল। তখন আমি …

বিস্তারিত পড়ুন

সিস্টার, দ্যা লেডি অব পিস

রাত ১ টা ছুঁই ছুঁই। শ্যামলী ওভারব্রিজ। ঢাকা শহরের ব্যস্ততম ওভার ব্রিজগুলোর মধ্যে একটি। ল্যাম্পপোস্টের আলোয় আলোকিত রাজপথ। রাস্তায় জনমানুষের অস্তিত্ব চোখে পড়ে না। সশব্দে Pulsar 150 C&G মডেলের বাইক এসে থামল শ্যামলী সিনেমা হলের সামনে। বাইকের ট্যাঙ্কিতে বসা চার পাঁচ বছরের একটা ফুটফুটে মেয়ে। চোখে রাজ্যের বিস্ময় নিয়ে সে লকডাউনের শহর দেখে। মাঝেমধ্যে পাপা পাপা বলে খিলখিল করে হাসে। দুর্বোধ্য আওয়াজ করে। মন্থর গতিতে একটা পুলিশ পিকআপ এসে থামল …

বিস্তারিত পড়ুন

ভালবাসার ব্ল্যাকদার

কি ওটা  ? পোকা না পাখি, পাখি না পোকা ! ভাবতে না ভাবতেই আচানক  দানবিক গতিতে কিছু একটা ভক করে পেটে বিঁধল। শিরদাঁড়া ভেদ করে পিঠ দিয়ে বের হয়ে গেল ধাতব কিছু। চলন্ত সাইকেল থেকে মুহূর্তেই  লুটিয়ে পড়ল জুয়েল। সাইকেলের নিচ থেকে একটা পা বের করে হাঁটু গেড়ে বসল। রক্তের সরু একটা প্রবাহ পেট থেকে নিচে গড়াতে থাকে। ধবধবে সাদা লুঙ্গিতে রক্ত লাগতে দেখে উদ্বেগ হয় তার। ওহ্ রে, নয়া …

বিস্তারিত পড়ুন

খাজার খোকা

বিয়ের প্রায় দশ বছর পেরুতে চলল। এখনো সন্তানের মুখ দেখেনি জহির-কানেতা দম্পত্তি। কোন মাজার, মানত তারা বাকি রাখেনি। শাহ-আমানত হুজুরের মাজারের গজার মাছকে কতবার খাবার দিয়ে এসেছে তার ইয়াত্তা নেই। এক আত্মীয়র পরামর্শে সিলেটেও বেশ কয়েকটা মাজারেও মানত করে এসেছে। এইচএসসি পাশ করে কিছুদিন গ্রামের কলেজে ডিগ্রীর ক্লাস করা জহির। ধর্মের বহু নিয়ম মানতে তার বাধে। কিন্তু গত দশ বছরে বিজ্ঞানের চিকিৎসা তো কম করেনি। হোমোপ্যাথিক, এলোপ্যাথিক কোন ডাক্তারই বাদ …

বিস্তারিত পড়ুন

দাঁড়কাক

কা কা কা….! কাকের স্বর এত কর্কশ এত অন্তর্ভেদী হতে পারে ? জীবনে শোনা হয়নি । মাদকতা ছড়ানো দাঁড়কাকের ডাক শুনতে শুনতে জিজ্ঞাসু চোখ মেলে ইহকাল ত্যাগ করলেন ফিরোজ সাহেব । মৃত্যুর সর্বশেষ সর্বগ্রাসী দীর্ঘশ্বাসটুকু ছাড়ার আগে তিনি কয়েকটা মুহূর্ত পেয়েছিলেন চিন্তা করার । অন্তিম চিন্তা । চিন্তাগুলো ভাসা ভাসা । খানিকটা স্বপ্নের মত । কাঁচবন্দি আইসিইউ রুমে কাক কোথা থেকে এল? পয়লা এই প্রশ্নটা মাথায় ঘুরপাক খেতে লাগল । …

বিস্তারিত পড়ুন

মধ্যবিত্ত

আজ সকালেই বুঝেছিলাম দিনটা কেমন যাবে। যা ভেবেছিলাম তার শতভাগ টের পাচ্ছি এখন। তবে দিনটা যে আমার খুব সুখকর হবেনা তা এতক্ষনে অনেকেই বুঝতে পেরেছেন। প্রথমত, ভাঙ্গা আয়নাটার কথাই বলি ; সেই ছোট বেলা থেকেই শুনে আসছি ভাঙ্গা আয়নায় মুখ দেখা ঠিক নয়। দেখলে নাকি সাইত নষ্ট হয়ে যায়। অর্থাৎ সকল ভালো কাজেই বাগড়া লাগে। আবার ভাঙ্গা চিরুনি দিয়ে মাথার চুল আঁচড়ালে নাকি বুদ্ধি – বিদ্যা কমে যায়! যাইহোক আমার …

বিস্তারিত পড়ুন

তোমার জন্য এই পৃথিবী নয়

পাঁচতলা একটি বাড়ি। পাঁচতলায় থাকে শমিক। দুই তলায় থাকে রফিক সাহেব। বাড়ির মালিক উনি। আজ শনিবার। শমিক ঘুম থেকে ওঠে হাতমুখ ধুয়ে অল্প মুড়ি ও চানাচুর মাখিয়ে কম্পিউটারটা ওপেন করে যথারীতি ফেইসবুকে ঢুকল। ফেইসবুকে ঢুকতেই স্ক্রিনে ভেসে আসে গ্রামের এক পরিচিত ছোট ভাইয়ের হাসোজ্জল ছবি। সে আর নেই। গতরাতে স্ট্রোক করে মারা গেছে। বয়স আনুমানিক ২২-২৩ বছর হবে। এদিকে শমিকের বয়স ২৯ এর কাছাকাছি। মৃত্যুর খবরটা শমিকের মনে তাৎক্ষনিক কোন …

বিস্তারিত পড়ুন

রুম নাম্বার-৭০৭

এক. চারিদিকে রিক্সার কলোরব, ফুটপাতের কোলজুড়ে ফুল বিক্রেতারা ‘আফ্রোদিতির’ জন্য ফুলের মালা তৈরির কাজ নৈপুণ ও দক্ষতার সাথে শেষ করছে কারিগররা।তার পাশে মস্ত বড় দেয়ালের গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে চা খাচ্ছে আমার আফ্রোদিতি। জয়িতা আমার কাছে গ্রিক-রোমান প্রেম ও সৌন্দর্যের দেবীর বাস্তব রুপ।আহা! কত মধু মাখা কালো কেশ। আমার আফ্রিদিতির সাথে পৌরণিক আফ্রোদিতির পার্থক্য শুধু হৃদয়ে,পৌরণিক দেবীর হৃদয়ের বিশালতা সম্পর্কে আমার ধারণা নগণ্য, কিন্তু তার প্রেমিকের সংখ্যা ছিল অসংখ্য! আর আমার …

বিস্তারিত পড়ুন

ভৈরব ষ্টেশনে একা

চৈত্রের এক পাতাঝরা দুপুরে সুরঙ্গনার সাথে আমার দেখা হয়েছিল। লাইব্রেরিতে বুক সেলফের আড়ালে সুরঙ্গনাকে দেখেছি বহুবার। কফিশপের আড্ডায় চোখাচোখি হতে হতে একদিন আমরা পাশে বসে কফি খেতে শুরু করে দিলাম। পাতাঝরা দুপুরে দক্ষিণা বাতাসে উড়ে যাওয়া হলুদিয়া উড়না গুছাতে ব্যস্ত মেয়েটার প্রেমে পড়ে গেলাম একদিন। সেই চৈত্রের রৌদ্র পেরিয়ে আষাঢ়ের কদম ফোটা বৃষ্টির দিনে আমরা একে অপরের হয়েছিলাম। আমি বেশ শখ করেই কদম ফুলের তোড়াহাতে দাঁড়িয়ে থাকতাম সুরঙ্গনার জন্য। এরপর …

বিস্তারিত পড়ুন

অব্যক্ত দুঃখ

সকাল সাতটা বাজে।ফজরের নামাজ অনেক আগেই পড়ে নিয়েছেন আজমল সাহেব।তার সকালটা শুরু হয় এককাপ চা দিয়ে। প্রতিদিনের মত আজকেও  আজমল সাহেব চা খাচ্ছিল গলির চায়ের দোকানে। চায়ের দোকাটা আবুল ভাইয়ের। সবাই আবুল ভাইয়ের চায়ের দোকান নামেই চিনে। এলাকার সকল রাজনৈতিক আলাপ-আলোচনা এই দোকানকে কেন্দ্র করেই। সবসময়ই লোকে ভরপুর থাকে, এখন কিছুটা ফাঁকা। মানুষ আটটার পর আসতে শুরু করবে। চা খাচ্ছেন এই সময় তিনি দেখলে নতুন, অপরিচিত একটা ছেলে এসে চায়ের …

বিস্তারিত পড়ুন

চড়ুই পাখির বাসা

তখনও ঘুম থেকে উঠিনি। ঘুমের শহরে প্রিয়তমা পরীনিতার হাত ধরে খিলখিলিয়ে হাসাহাসির সন্ধিক্ষণে নিজেরা দুজনেই প্রেমের উত্তাপে মিশে মোমবাতির বাতাসে ঘুরপাক খাচ্ছি। আর কিছু উষ্ণ আবরণের ছোঁয়াচে রোগের হলুদ গন্ধ মেখে এই প্রথম হিমু হিমু স্বভাবের অনুকরণে নিরুৎসাহিত নিদারুণ নিরাগ্রহ মানুষের ভিড়ে হাড়িয়ে যাচ্ছি। বেশ কয়েকবার হিমুর মোবাইল ফোন বেজে উঠলো। আর এটা যে হিমুর মোবাইল সেটা গভীর চিন্তায় মশগুল ঘুমের মধ্যেও অনুধাবন করা যায়। কেননা, হিমুর মোবাইলে “হিমু, আমি …

বিস্তারিত পড়ুন

বিস্মরণের পদচ্ছাপ

ধানমন্ডি লেক ।  রাত আটটা । দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরা ফু ফু করে বাঁশি বাজিয়ে জানান দিচ্ছে,  এখন চলে যাওয়ার সময় ৷ নাহিদ  জানে এই সিগন্যালের পরও অনেকক্ষণ থাকা যায় লেকে । এরমধ্যে অনেকে আড্ডা ভেঙে ফিরে যেতে শুরু করছে ৷ বেশির ভাগই তরুণ প্রেমিক যুগল।  রবীন্দ্র-সরোবরের গোল চত্বরে একটা চক্কর দিয়ে আবার ওভারব্রীজের ওপর এসে দাঁড়াল সে । পায়ের নিচে ছুটন্ত গাড়ির বহর ।  সাইরেন, রিকশার টুংটাং বেল, বাইকের …

বিস্তারিত পড়ুন

বেলা শেষে এসে ফিরে পায়নি তোমায়

বেলা শেষে ফিরে এসে পাইনি তোমায় লাল গোলাপ এনে দিতে না পারলে মেয়েটা আমার সাথে নাচবে না বলেছে, বলতে বলতে কেঁদে ফেলল ছেলেটা,অতচ বাগানে কোনও লাল গোলাপ নেই! ওক গাছের পাতার ফাঁক দিয়ে নিজের বাসা থেকে কৌতুহলী চোখে তাখাল এক বুলবুলি।ছেলেটার দুঃখের কথা শুনে তাকে সাহায্য করবে বলে মমনস্থির করল।আসলেই সত্যিকার এক প্রেমিকের দেখা পেয়েছি আজ আমি,বলল বুলবুলি,ভাবল গান শুনিয়ে প্রেমিকের মন ভালো করে দেবে। কিন্তু পরক্ষণেই সে উপলব্ধি করল …

বিস্তারিত পড়ুন

ছুটির ঘন্টা

অষ্টমের পাঠ চুকিয়ে আমরা সবেমাত্র নবমে ভর্তি হয়েছি। নবম শ্রেণিতে উঠতেই ফাস্ট ব্যাঞ্চার মেধাবী বন্ধুরা চলে  গেল বিজ্ঞান শাখায়। আমদের মতো টেনেটুনে পাশ করাদের স্থান হলো বানিজ্যিক শাখায়। স্কুলের নোটিশ বোর্ডে টাঙানো এক নোটিশ আমাদের বিভাগ ঠিক হয়েছিল। আমাদের বার স্কুলের সব কড়া শিক্ষকের ক্লাস পড়ল বানিজ্যিক শাখায়। হেডস্যার বলে দিয়েছেন এইবারের বানিজ্যিক শাখার ব্যাচটা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে। তাছাড়া আজকাল বাবা-মা’রা সন্তানদের খোঁজ রাখেন না। ছেলেদের  গোঁফ গজানোর আগে …

বিস্তারিত পড়ুন

অসমাপ্ত গল্পের শেষ পর্ব

রিমঝিম বৃষ্টি হচ্ছিল সেদিন। সময়টা ১০ঃ ৩০ মিনিট হবে। হাতে ঘড়ি ছিলো না। পকেটে মোবাইল ছিলো তবে বৃষ্টির কারণে বের করতে পারিনি। সঠিক সময়টা সেজন্য….। হাতে ছিলো ফাইল ব্যাগ। ব্যাগের ভেতর ছিলো সার্টিফিকেট। চাকরির ভাইভা দিতে এসেছি। ব্যস্ত নগরী। কারো দিকে কেউ তেমন করে তাকাচ্ছে না। অফিস টাইম মনে হয় এমনই। বাস থেকে নেমে ঠিকানা খুজছিলাম। এমন সময় কে যেন বলে উঠলো হায় হায়! কথা গুলো আমার খুব কাছে থেকে …

বিস্তারিত পড়ুন

১৬২ ধারার জবানবন্দি

সে প্রায় সময় আমার মোবাইল ফোনে এবং স্বশরীরে এসে আমাকে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দিতো হুজুর। আমি তাকে বুঝানোর চেষ্টা করতাম হুজুর, আমার স্বামী আছে, সন্তান আছে আমি এসব অকাজ করতে পারবো না। হঠাৎ গতকাল সে আমার ঘরের দরজার ছিটকিনি নাড়াতে থাকে হুজুর, আমি ঘরের ভেতর থেকে জিজ্ঞেস করলাম কে কে? সে বললো আমি অগাধ চন্দ। আমি তার শব্দ শোনে তাকে বললাম কেনো এসেছো? সে বললো দরজা খোলতে, আমি ভয়ে দরজা …

বিস্তারিত পড়ুন

একটি চুরির গল্প

ভাই মাফ চাই, ছাইড়া দেন ভাই।ভাই দুইটা পায়ে ধরি ভাই, আর মাইরেন না ভাই,ভাই আমি রোজা রাখছি, আর আমুনা ভাই,,,,,,!!রোজার কথা শুনে থেমে গেলো দু’জন,বাড়ি কই তোর??— কলাবাগান বস্তিতে।–তুই মসজিদ থেকা চুরি করস? তোর কলিজা কত বড়? পাশের লোকটা বললো,ভাই থামলেন কেন? দেন আর কয়ডা, রোজার মাসে চুরি কইরা বেড়ায়, সালারে লাত্থান। তুই চুরি করস আবার কিসের রোজা রাখস রে? মিছাকথার জায়গা পাস না?এই বলেই কান বর়াবর সজোরে আরেকটা থাপ্পড় …

বিস্তারিত পড়ুন

ক্রসফায়ারঃ আধার রাতের গল্প

রবিউল রক্তশূন্য মুখে কাঁপতে কাঁপতে বলল, স্যার আমারে কি মাইরা ফেলবেন? রবিউল যখন প্রশ্নটা করল তখন আমি সিগারেটে সর্বশেষ টান দিচ্ছি। প্রশ্ন শুনে সেকেন্ডের ভগ্নাংশের জন্য থামলাম। তারপর আবার লম্বা করে টান দিয়ে ঠোঁট গোল করে উপর দিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে সিগারেট মাটিতে ফেলে বুট দিয়ে ঘষে আগুন নেভালাম। রবিউলের জবাব না দিয়েই বললাম, ফারুক! ওর চোখ বাঁধো। রবিউল নামের মধ্যবয়সী লোকটা এবার চূড়ান্ত ভয় পেয়ে গেল। এতক্ষণ ধরে তার চোখে …

বিস্তারিত পড়ুন
error: আমার কলম কপিরাইট আইনের প্রতি শ্রদ্ধশীল সুতরাং লেখা কপি করাকে নিরুৎসাহিত করে। লেখার নিচে শেয়ার অপশন থেকে শেয়ার করার জন্য আপনাকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।