বিজ্ঞান

ডাইনোসর ও আদম : তুলনামূলক আলোচনা

ডাইনােসর সরিসৃপ গোত্রের প্রাগৈতিহাসিক প্রাণী। পৃথিবীতে এরা বাস করতাে মেসােজোয়িক কালে। ২৩০ মিলিয়ন বছর আগে থেকে ৬৫ মিলিয়ন বছর আগ পর্যন্ত। ডাইনােসর নামটা তৈরি হয়েছে দুটি গ্রীক শব্দকে যুক্ত করে। মানে বিকট বা ভয়ঙ্কর গিরগিটি। ৬৬ মিলিয়ন বছর আগে হুট করেই সব ডাইনােসর এক সঙ্গে মারা যায়। এভাবে চিরতরে হারিয়ে যাবার আগে ১৬০ মিলিয়ন বছরের বেশি সময় ধরে তারা পৃথিবীর প্রায় সব এলাকাতেই দাপটের সঙ্গে টিকে ছিলাে। তখন সমুদ্রগুলােতে ঘুরে …

বিস্তারিত পড়ুন

কি করে বুঝবেন আপনি করোনা ভাইরাস আক্রান্ত?

সাম্প্রতিক সময়ের পৃথিবীজুড়ে সবচেয়ে বড় আতংকের নাম করোনা ভাইরাস বা SERS-CoV-2। আমি নিজেও এই বিষয়ে আতংকিত। আমি গত দুই দিনে এই রোগ বিষয়ে যতটুকু জেনেছি, সেটুকু জানানোর চেষ্টা করেছি যাতে কারো কিছু হলেও উপকারে আসে। যদি ভুল থাকে তাহলে ক্ষমাসুলভ দৃষ্টিতে দেখবেন। যেহেতু আমি নিজের পড়াশুনা জীববিজ্ঞান অনুষদ থেকে করেছি এবং আমার কর্মক্ষেত্র এই বিভাগে, তাই আমার লেখাটাও সাধারণ মানুষ এর জন্য একটু কঠিন হয়ে যেতে পারে। চীনের উহান শহর …

বিস্তারিত পড়ুন

করোনা ভাইরাস বা কভিড-১৯ সম্পর্কিত ভাবনা

জীবাণু যুদ্ধ অথবা কোল্ড ওয়ার ডেভেলপ হয়েছে বুঝা যাচ্ছে। দেখলাম উইকিলিক্স এরমতো সাইটে অনেক আগে থেকেই বার্তা দেওয়া আছে, পাশ্চাত্য দেশগুলোর গোপন জীবাণু গবেষণা কেন্দ্র সম্পর্কে। তাদের মাইক্রোবায়লোজির মতো বিষয়গুলোর পেছনে বিলিয়ন ডলার ঢালার মুটিভকে ছোট করে দেখার কোন অবকাশ নেই। আচ্ছা এমন নয় তো! তাদেরই জীবানু গবেষণা কেন্দ্র থেকে এক্সিডেন্টলি করোনার স্প্রিডিটি? কোন দেশের একজন জীবানু বিজ্ঞানী জানি ইতিমধ্যে এমন আশংকা করে বসেছেন এবং এই বিজ্ঞানী দীর্ঘদিন ধরেই জীবানু …

বিস্তারিত পড়ুন

কোথা থেকে এলো এই পৃথিবী, কি করে হলো প্রাণের উৎপত্তি ?

পৃথিবীর জন্ম কীভাবে হলো তা আমরা কয়জন জানি? এটা আমাদের সবারই জানা যে পৃথিবীটা বেজায় প্রাচীন। আমাদের বয়স তার তুলনায় কিছুই না। কিন্তু কোথা থেকে এলো এই পৃথিবী ? কি করে হলো প্রাণের উৎপত্তি ? একটু আধটু ধারণা থাকলেও একেবারে পরিষ্কার ছবিটা ভাসে না অনেকের মনেই। নিচের লেখার মাধ্যমে দেখে নিন আমাদের পৃথিবীকে, একেবারে শুরু থেকে বর্তমান মানব সভ্যতা পর্যন্ত! সৃষ্টির শুরু ঠিক কখন পৃথিবী তৈরি হয় ? একেবারে শুরুর …

বিস্তারিত পড়ুন

ক্ষুদে জিনিয়াসদের যত বিড়ম্বনা

বিখ্যাত গণিতবিদ ‘কার্ল ফ্রিডরিখ গাউস’ মাত্র সাত বছর বয়সেই ক্লাসে গণিতের শিক্ষককে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন নিজের প্রতিভায়।  স্যার ছাত্রদের একটা অঙ্ক কষতে দিলেন। ১+২+৩+৪+৫+…+৯৬+৯৭+৯৮+৯৯+১০০=? যোগ করো একের পর এক সংখ্যা, সমানে মনে রাখো সমষ্টি, কোনও এক ধাপে ভুল হলেই সব গোলমাল। শিক্ষক চাইলেন গণনার ভারে ছাত্রদের জর্জরিত করতে। তারা সবাই হিমশিম খেলেও তা হলনা একটি ছেলের বেলায়। কারণ ক্লাসের সব বাচ্চা অঙ্কটা যেভাবে কষতে গেল, ও হাঁটল না সে পথে। …

বিস্তারিত পড়ুন

স্লো পয়জনিং

রসায়ন শাস্ত্রে ‘স্লো পয়জনিং’ নামে একটা ঘটনার উল্লেখ আছে। কিছু ভারী ধাতু আছে (যেমনঃ শীসা) যেগুলো আমাদের শরীরে কোনভাবে ঢুকে গেলে শরীরের প্রত্যঙ্গগুলো ধীরে ধীরে বিকল হতে শুরু করে।শরীরের সকল অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কাজ করা কমিয়ে দিতে দিতে একসময় একেবারে থেমে যায়; অর্থাৎ মৃত্যু। মনে করুন আপনি জীবনের প্রতি ভীষণ ক্ষিপ্ত, বেঁচে থাকার আর কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না। বেছে নিতে চান আপনার সেই কাঙ্খিত পথ ‘সুইসাইড’। কিন্তু মৃত্যুযন্ত্রণার এমন সব ভয়াল …

বিস্তারিত পড়ুন

মার্কসবাদ একটি বিজ্ঞান সত্ত্বেও রাজনৈতিক মতবাদ

দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ আসলে কি? কার্ল মার্কস ছিলেন প্রগতিশীল বামপন্থী হেগেলের ছাত্র। হেগেল জগৎ, মানুষ ও জীবনকে ব্যাখ্যা করেন দ্বান্দ্বিক চৈতন্যবাদ দিয়ে। চিন্তার যে দ্বন্দ্ব তার সমাধান করতে না পেরে দ্বারস্থ হন ঈশ্বরের বা পরমশক্তির। যা তারই ছাত্র কার্ল মার্কস মানতে পারলেন না। মার্কস ঘোষণা করলেন, চিন্তার দ্বন্দ্ব বস্তুর দ্বন্দ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন কিছু নয়। বস্তুর মধ্যে দ্বৈত সত্তা বলে কিছু নেই। তবে চিন্তার স্বাধীন অস্তিত্ব আছে যা বস্তুর সাংগঠনিক দ্বন্দ্ব থেকেই …

বিস্তারিত পড়ুন

দ্বন্দ্ববাদ, সার্বিক সংযোগ ও বিকাশের মতবাদ

একটি বিজ্ঞান হিসেবে দ্বন্দ্ববাদ : এঙ্গেলস দ্বন্দ্ববাদ বা ডায়ালেকটিকসের সংজ্ঞা নিরূপন করেছেন এভাবে, দ্বন্দ্ববাদ হচ্ছে সমস্ত গতি ও বিকাশের বিশ্বজনীন নিয়মগুলোর বিজ্ঞান । জগতের সব বস্তু ও ঘটনাপ্রবাহ সামগ্রিক রূপের এক প্রকাশ, এখানে কোনো কিছুই খণ্ডিত নয় । প্রতিটি বিষয় অবশিষ্ট জগতের সাথে যুক্ত আছে । বস্তু ও ঘটনাপ্রবাহের নিরন্তর বিকাশ হচ্ছে । এই বিকাশের মধ্যে আছে সুশৃঙ্খলা, নিয়মানুবর্তিতা ও সুসম্পর্ক । গভীর সম্পর্কের বন্ধন, অখণ্ড সামগ্রিক বিষয়গত বন্ধন, বিকাশের …

বিস্তারিত পড়ুন

গতি

পৃথিবীতে গতিশীল বস্তু ছাড়া কিছুই নেই ।সব পদার্থই রয়েছে গতি ও পরিবর্তনের অবস্থায় । এঙ্গেলস বলেছেন গতি হলো বস্তুর অস্তিত্বের ধরণ । গতি ছাড়া কোনো কিছু থাকতে পারে না । (১) বিরাম আপেক্ষিক, গতি অনাপেক্ষিক : পৃথিবীতে বস্তুর গতি ও পরিবর্তন বিরামকে বাতিল করে দেয় না । গতিশীল পদার্থগুলোর কিছু স্থিতিশীলতা থাকে । কিন্তু গতি ও .বিরাম বিচ্ছিন্ন নয় । ধরা যাক একটি মানুষ ঘুমুচ্ছে । মানুষটি আছে বিরামের অবস্থায় …

বিস্তারিত পড়ুন

দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদের বস্তু নিয়ে ভাবনা

বস্তুর ধারণা নিয়ে আলোচনায় এঙ্গেলসের বক্তব্য সামনে আসে । তাঁর মতে পৃথিবীর সাথে মানুষের একটি ব্যবহারিক সম্পর্ক আছে । বস্তুই প্রধান । বস্তু থেকে চেতনার উদ্ভব । জগৎকে জানা সম্ভব । এটি হচ্ছে দর্শনের বুনিয়াদী প্রশ্নের উত্তর । এই কাঠামোর মধ্যেই কেবল বস্তুর সংজ্ঞা নির্ণয় করা যায় । এঙ্গেলস বলেছিলেন, বস্তুর প্রত্যয় বা ধারণাটি হলো একটি বিমূর্তন, অর্থাৎ বাহ্যিক পৃথিবীর বস্তুসমূহ, প্রক্রিয়াসমূহ, এবং এর সম্পর্কের অসীম বৈচিত্র্যের এক সার্বিক প্রতিফলন …

বিস্তারিত পড়ুন

প্রকৃতিক বিজ্ঞান বিষয়ক পূর্বশর্তসমূহ

১৯শ শতাব্দীর শুরুর দিকে পৃথিবীতে বিজ্ঞান এমন একটা পর্যায়ে উন্নীত হয়েছিলো যা দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদের আত্মপ্রকাশে সহায়ক হয়েছিলো । বলবিদ্যা, জ্যোতির্বিদ্যা, রসায়নবিদ্যা, জীববিদ্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের বিকাশ পৃথিবীর বস্তুগত ঐক্যকে দেখিয়েছিলো । আরো দেখিয়েছিলো প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াগুলোর দ্বান্দ্বিক চরিত্রকে । ঐ সময়ের তিনটা বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ প্রতিষ্ঠায় বিরাট অবদান রেখেছিলো । (১) শক্তির অক্ষয়তা ও রূপান্তরের নিয়ম : ১৮৪২-১৮৪৫ সালে, জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী জুলিয়াস রবার্ট মায়ার শক্তির অক্ষয়তা ও রূপান্তরের নিয়ম …

বিস্তারিত পড়ুন

যাদু কি আসলে সত্যি ?

যাদু নিয়ে মানুষের কৌতুহলের শেষ নেই । এই যাদু কি আসলে সত্যি ? যদি সত্যি হয় তাহলে যাদু বিদ্যায় পারদর্শীরা কেন পৃথিবীতে কতৃত্ব করতে পারছে না । নাকি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কতৃত্ব করছে ? ব্রিটিশ নৃবিজ্ঞানী জেমস ফ্রেজার মনে করতেন মানুষের চিন্তার বিবর্তনের তিনটি ধাপ হল যাদু, ধর্ম ও বিজ্ঞান । যদি বিজ্ঞনকে বাদ দিয়ে, যাদু আর ধর্ম নিয়ে আলোচনা করি তাহলে মাথার মধ্যে আর একটি প্রশ্ন চলে আসে । …

বিস্তারিত পড়ুন

দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদের আওতা

একটি বিজ্ঞান হিসেবে দর্শনের বিষয়বস্তু যুগে যুগে পরিবর্তিত হয়ে আসছিলো । প্রথমে পৃথিবীর সব জ্ঞান দর্শনের আওতায় ছিলো । প্রাচীন দার্শনিকরা প্রকৃতি বিজ্ঞানীও ছিলেন । নতুন নতুন বিশেষ বিজ্ঞানেও বিশেষজ্ঞ ছিলো । তখন অনেক বিশেষ বিজ্ঞানের উদ্ভব হয়েছিলো । যেমন – জ্যোতির্বিদ্যা, পদার্থবিদ্যা, বলবিদ্যা, জীববিদ্যা, রসায়ন ও অন্যান্য আরো বিজ্ঞানের শাখা । সেই সাথে বিজ্ঞানগুলো থেকে দর্শন পৃথক হয়ে গিয়েছিলো । সকল বিজ্ঞানের উপর দর্শন এক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছিলো, অর্থাৎ …

বিস্তারিত পড়ুন

দার্শনিক পদ্ধতি দ্বান্দ্বিকতা ও অধিবিদ্যা

দর্শনের বুনিয়াদী প্রশ্নের মতো আরো একটি প্রশ্ন আছে । সেটি হচ্ছে, পৃথিবী কি এক জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে, না বিকশিত হচ্ছে ? দর্শনের এই প্রশ্নের উত্তর দেয়া হয়েছে পরস্পর বিপরিত দুই পদ্ধতিতে । এর একটি হচ্ছে দ্বান্দ্বিকতা(Dialectics), আর অন্যটি হচ্ছে অধিবিদ্যা(Metaphysics) । পদ্ধতি হলো লক্ষ্য অর্জনের উপায় যার সাথে যুক্ত থাকে নির্দিষ্ট নীতিসমূহ, তত্ত্বগত গবেষণা ও ব্যবহারিক কাজের ধরন । এসব মিলিয়েই হয় একটি পদ্ধতি । কোনো বৈজ্ঞানিক বা ব্যবহারিক সমস্যা …

বিস্তারিত পড়ুন

দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ

উপক্রমণিকা দর্শন নিয়ে আলোচনার শুরুতে বলতে চাই, দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ হচ্ছে জগৎ ও মানব সমাজের আমূল পরিবর্তনের মূল হাতিয়ার । মার্কসবাদের সারবস্তু এই বৈজ্ঞানিক বস্তুবাদ । বর্তমান দুনিয়ার চলমান প্রক্রিয়াকে বিজ্ঞানসম্মতভাবে জানতে হলে এবং এর বিকাশের গতি কোনদিকে গড়াবে তা বোঝার জন্য এই দর্শন জানা আবশ্যক । আজ সারা বিশ্ব ও আমাদের বাংলাদেশ বিশ্বজনীন বিশাল সমস্যার মুখোমুখি দণ্ডায়মান অথচ এর সমাধানে মার্কসবাদ পুরোপুরি সক্ষম । মার্কসীয় দর্শন বিজ্ঞানভিত্তিক বিশ্বদৃষ্টিভঙ্গিকে সমর্থন করে …

বিস্তারিত পড়ুন
error: আমার কলম কপিরাইট আইনের প্রতি শ্রদ্ধশীল সুতরাং লেখা কপি করাকে নিরুৎসাহিত করে। লেখার নিচে শেয়ার অপশন থেকে শেয়ার করার জন্য আপনাকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।