নারীর ক্ষমতায়ন

যদি বলি “নারীর অধিকার হরণে নারীরাই বলিষ্ঠ ভূমিকায় অবতীর্ন।” খুব কি ভুল হবে? একেবারেই না।কেননা, বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যানকর তার অর্ধেক যেমন নারী সৃষ্টি করেছে তেমনি ট্রয় নগরী ধ্বংস থেকে শুরু করে অসংখ্য নারীর প্রতিভা আর নারী ক্ষমতায়নের পিছে লাগামটিতেও ওই নারীই অগ্নিপাত করেছে।হনুমানের লেজে আগুন ধরিয়ে সমস্ত লঙ্কা পুড়িয়ে দেবার দায় তবে কার?কখনোই এক পাক্ষিকভাবে পুরুষের নয়।বরঞ্চ বর্তমান যুগে আধুনিক পুরুষরা নারীর প্রতি হয়ে উঠেছে যথেষ্ট …

বিস্তারিত পড়ুন

একটি চুরির গল্প

ভাই মাফ চাই, ছাইড়া দেন ভাই।ভাই দুইটা পায়ে ধরি ভাই, আর মাইরেন না ভাই,ভাই আমি রোজা রাখছি, আর আমুনা ভাই,,,,,,!!রোজার কথা শুনে থেমে গেলো দু’জন,বাড়ি কই তোর??— কলাবাগান বস্তিতে।–তুই মসজিদ থেকা চুরি করস? তোর কলিজা কত বড়? পাশের লোকটা বললো,ভাই থামলেন কেন? দেন আর কয়ডা, রোজার মাসে চুরি কইরা বেড়ায়, সালারে লাত্থান। তুই চুরি করস আবার কিসের রোজা রাখস রে? মিছাকথার জায়গা পাস না?এই বলেই কান বর়াবর সজোরে আরেকটা থাপ্পড় …

বিস্তারিত পড়ুন

ক্রসফায়ারঃ আধার রাতের গল্প

রবিউল রক্তশূন্য মুখে কাঁপতে কাঁপতে বলল, স্যার আমারে কি মাইরা ফেলবেন? রবিউল যখন প্রশ্নটা করল তখন আমি সিগারেটে সর্বশেষ টান দিচ্ছি। প্রশ্ন শুনে সেকেন্ডের ভগ্নাংশের জন্য থামলাম। তারপর আবার লম্বা করে টান দিয়ে ঠোঁট গোল করে উপর দিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে সিগারেট মাটিতে ফেলে বুট দিয়ে ঘষে আগুন নেভালাম। রবিউলের জবাব না দিয়েই বললাম, ফারুক! ওর চোখ বাঁধো। রবিউল নামের মধ্যবয়সী লোকটা এবার চূড়ান্ত ভয় পেয়ে গেল। এতক্ষণ ধরে তার চোখে …

বিস্তারিত পড়ুন

নারীর কোন ধর্ম নেই

হুমায়ুন আজাদ বলেছিলেন “রামমোহন রায় হিন্দু নারীকে দিয়েছেন প্রাণ, ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর দিয়েছেন জীবন; রামমোহনের যেখানে শেষ, বিদ্যাসাগরের সেখানে শুরু”। রামমোহন চেয়েছিলেন সহমরণের আগুন থেকে শুধু নারীর প্রাণটুকু রক্ষা করতে। কিন্তু বিদ্যাসাগর বুঝেছিলেন বেঁচে থাকার জন্যে শুধু নিশ্বাস নিলেই হয় না, জীবন উপভোগ করেই বাঁচতে হয়। চিতার আগুনে ছাই না হয়ে বিধবার প্রাণটি বেঁচে গেলেও তাকে আজীবন ফলমূল ও একাহারী হয়ে মৃত স্বামীর ধ্যান করে বেঁচে থাকতে হবে। বিধবার থাকবে না …

বিস্তারিত পড়ুন

লোডশেডিং

  আর আট দশটা গ্রামের মতোই সজলদের গ্রাম। পাড়ায় সজলদের একটা ছোট খাটো গ্যাং আছে। এই গ্যাং মসজিদের ইমাম হুজর ছাড়া মোটামোটি কাউকে তোয়াক্কা করে না। সজল, উত্তম, সবুজ, নিহাদ, ফোরকান আর জামাল  গ্যাংয়ের নিয়মিত সদস্য। এছাড়া মাঝে মাঝে অনেক সদস্য আসে আবার চলে যায়। তাদের গ্যাংয়ের বেশ কিছু নিয়মিত কার্যসূচি আছে। পাড়ার সালিশে ভীড়ের মাঝে কিছু একটা বলে মাথা লুকিয়ে ফেলা,বর্ষায় ভেঙ্গে যাওয়া রাস্তা মেরামত করা,আশপাশের আটগ্রামের  যে কোন …

বিস্তারিত পড়ুন

শঙ্করদেব পাঠের গোড়ার আলাপ

শঙ্করদেব আমাদের এই অঞ্চলের ভাবান্দোলন বা ভক্তি আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। আমাদের এই অঞ্চলের জনগণের সামাজিক-সাংস্কৃতিক -রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রবাদ পুরুষ।তিনি ১৪৪৯ খ্রীষ্টাব্দে আসামে জন্মগ্রহণ করেন।সালটা পড়ে আমরা বুঝতে পারছি তিনি চৈতন্যদেবের প্রায় অর্ধশতাব্দী আগেরকার মানুষ। এই মহান ব্যক্তিত্ব শুধু আসামের নন, তিনি একইসঙ্গে বাঙলার সাথে সংযুক্ত। আমরা বলতে পারি তিনি বৃহৎ বাঙলার ভাবান্দোলনের প্রবাদ পুরুষ। তাঁর সাহিত্য- দর্শন আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বৃহৎ বাঙলার জ্ঞানতাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক বোঝাপড়ার জন্য তাঁকে পাঠ …

বিস্তারিত পড়ুন

যাত্রা বিরতি

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার আগে থেকেই হল শব্দটা সম্পর্কে একটা আগ্রহ কাজ করত। শুনতাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হল মানে নাকি অন্যরকম এক জীবন। আড্ডাবাজি, বন্ধুত্ব, বড়-ছোট ভাই সম্পর্ক রাজনীতি, বিতর্ক সব নাকি গড়ে উঠে হল কেন্দ্রীক। বড় ভাইদের কাছ থেকে হল জীবনের গল্প শুনতে শুনতে ভাবতাম কবে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাব, হলে থাকব। আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় জেনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে আমি বরাবরই আগ্রহী ছিলাম। কিন্তু ভর্তিও ছয় মাসের মাথায় সে আগ্রহে ভাটা পড়ে গেছে। থার্ড …

বিস্তারিত পড়ুন

লালু

সীমান্ত বড়ুয়াঃ  সকাল ১০টা। পুরনো ধাঁচের দোতলা বাড়ির গেইটে ছোট্ট একটা সাইনবোর্ডে লেখা “রহমান ম্যানশন”। বাড়ির উঠোনে জনাব ফারুখ রহমান সাহেব বেতের মোড়ায় বসে আছেন। রোদ এসে ঠেকছে তার গায়ে কিন্তু তিনি উঠছেন না। একটু পর পর তার কপালে ভাজ পড়ছে । খুব চিন্তিত দেখাচ্ছে তাকে। ফারুখ সাহেব সিগারেট ধরালেন। এ নিয়ে পর পর দুইটা সিগারেট ধরানো হলো। সচরাচর এমনটা করেন না তিনি। ফারুখ সাহেবের অভ্যাস হলো সিগারেট খাওয়ার সময় …

বিস্তারিত পড়ুন

আরজ আলী মাতুব্বর : মুক্তচিন্তা ও যুক্তিবাদী দার্শনিক

আরজ আলী মাতুব্বর ১৯০০ সালের ১৭ই ডিসেম্বর (বাংলা ১৩০৭ বঙ্গাব্দের ৩রা পৌষ) তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতে বরিশাল জেলার অন্তর্গত চরবাড়িয়া ইউনিয়নের লামছড়ি গ্রামে এক দরিদ্র কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম এন্তাজ আলী মাতুব্বর। তার মা অত্যন্ত পরহেজগার ছিলেন। পরিবারে তারা ছিলেন পাঁচ ভাইবোন। আরজ আলী মাতুব্বরের প্রকৃত নাম ছিলো ‘আরজ আলী। আঞ্চলিক ভূস্বামী হওয়ার সুবাদে তিনি ‘মাতুব্বর’ নাম ধারণ করেন। আরজ আলী নিজ গ্রামের মুন্সি আবদুল করিমের মসজিদ দ্বারা …

বিস্তারিত পড়ুন

হঠাৎ দেখা সভ্যতা

কর্মব্যস্ত শহরে হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ দেখা হলো রিমির সাথে। জন-লোকারণ্যে কাঁধে ব্যাগ নিয়ে ছুটছে রিমি, গন্তব্য নিশ্চয় কর্মস্থল। সংসার আর সুখের ছোঁয়া পেতে কতোই না কষ্ট, সে খবর কেবল রিমি জানে এখন।প্রায় দু’বছর আগে কলেজ, বন্ধু, প্রেম আঁকড়ে ধরেছিলো রিমিকে। আর এখন কেবল সংসারের চিন্তা গ্রাস করছে রিমিকে। অনাথ আশ্রম, সামাজিকতার বেড়াজালে বন্দী গ্রাম আর বাবাহীনতা একটি মেয়েকে এখনো জর্জরিত করে। ১০শে আষাঢ় প্রবল বাতাসে রাস্তার ধারের টং এ বসে …

বিস্তারিত পড়ুন

বড়ুয়া’রা ‘মগ’ নয় !

মগ প্রথমত চট্টগ্রাম গালির ভাষা হিসেবে ব্যবহার শুরু হয়েছিলো । অন্থানীয় বা অচট্টগ্রামীরা চট্টগ্রামীদের মগ বলে হেয় করতে চাইত । যা হোক, মগের নামে একটা সম্প্রদায় ছিল এখন ও আছে । মগ আরাকান নিবাসী জাতি বিশেষ । জাতিতত্ত্ববিদেরা এদের ইন্দো-চীন নিবাসী বলে মনে করেন । সাধারণত মগ বলতে আরাকানীদের বুঝায় । আরাকানীরা চট্টগ্রামের কিছু অংশ, কখনো পুরো অংশ শাসন করেছে । স্থানীয় বৌদ্ধদের উপর মগদের শাসন যেমন ছিল ত্রিপুরাধিপতিদের শাসন, …

বিস্তারিত পড়ুন

বিদ্যাসাগরের “নতুন মানুষ”

“এদেশের উদ্ধার হইতে বহু বিলম্ব আছে।পুরাতন প্রকৃতি ও প্রবৃত্তি বিশিষ্ট মানুষের চাষ উঠাইয়া দিয়া সাত পুরুমাটি তুলিয়া ফেলিয়া নতুন মানুষের চাষ করিতে পারিলে, তবে এদেশের ভাল হয়।” -ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বিদ্যাসাগর মহাশয়ের এই কথাটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। এই কথাটি দ্বারা আমরা তাঁর চিন্তাধারার বা মতামতের হদিশ করতে পারি। বস্তুত বিদ্যাসাগরের যথাযথ পর্যালোচনা ছাড়া কখনও আমরা অগ্রসর হতে পারবনা।তিনি যে জিজ্ঞাসা, যে তর্কসমূহ উত্থাপন করেছিলেন তার যথাযথ বোঝাপড়া আজও হয়নি বলে আমাদের এই …

বিস্তারিত পড়ুন

শান্তির দূত কফি আনান

প্রথমবারের মত কোনো কালো ব্যক্তি  জাতিসংঘের মহাসচিব হয়েছিলো।কফি আনান,পুরো নাম কফি আত্তা আনান।১৯৩৮ সালের ৮ ই এপ্রিল আফ্রিকার দেশ ঘানাতে যার জন্ম।বাবা ছিলেন একজন প্রাদেশিক গভর্নর,শিক্ষা জীবনের প্রথম ধাপ ঘানাতেই কেটেছিলো, পরবর্তীতে উচ্চ শিক্ষার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। ১৯৬২ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাজেট অফিসার হিসেবে শুরু করেন কর্মজীবন। ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পান।তার সময়ে পৃথিবী দুইটি বড় সংকটে পড়ে একটি হচ্ছে ইরাক যুদ্ধ এবং অপরটি হচ্ছে এইডস। দুইক্ষেত্রেই তিনি ছিলেন সরব।ইরাক যুদ্ধের বিরোধিতা …

বিস্তারিত পড়ুন

চর্যাপদ : বাংলা সাহিত্যের পথ প্রদর্শক

বাংলায় মুসলমান আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হবার আগে ব্রাহ্মণ্য হিন্দুসমাজের পীড়নের আশঙ্কায় বাংলার বৌদ্ধগণ তাঁদের ধর্মীয় পুঁথিপত্র নিয়ে শিষ্যদেরকে সঙ্গী করে নেপাল, ভুটান ও তিব্বতে পলায়ন করেছিলেন, এই ধারণার বশবর্তী হয়ে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চারবার নেপাল পরিভ্রমণ করেন। ১৮৯৭ সালে বৌদ্ধ লোকাচার সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের জন্য তিনি প্রথমবার নেপাল ভ্রমণ করেন। ১৮৯৮ সালের তার দ্বিতীয়বার নেপাল ভ্রমণের সময় তিনি কিছু বৌদ্ধ ধর্মীয় পুঁথিপত্র সংগ্রহ করেন। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে তৃতীয়বার নেপাল ভ্রমণকালে চর্যাচর্যবিনিশ্চয় নামক একটি …

বিস্তারিত পড়ুন

নিরাপদ সড়ক চাই ,জেনারেশন নকিং দ্যা ডোর

সড়কে মৃত্যুর মিছিল থামছেই না। আর স্বজনদের আর্তনাদে প্রতিদিন ভারী হচ্ছে বাংলার আকাশ। যাত্রী কল্যাণ সমিতি বলছে ২০১৭ সালে দেশে ৪ হাজার ৯৭৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ৩৯৭ জন নিহত ও ১৬ হাজার ১৯৩ জন আহত হয়েছে। সে হিসাবে দেশে প্রতিদিন ২০ লোক সড়ক দূর্ঘটনায় মারা যায়। যাত্রী কল্যাণ সমিতি আরও বলছে,২০১৬ সালের তুলনায় ২০১৭ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের হার ২২.২ শতাংশ বেশি ছিল। এছাড়া দুর্ঘটনার হারও ১৫.৫ শতাংশ বেশি …

বিস্তারিত পড়ুন

তোমাদের প্রতি শতকোটি সালাম

এই তরুণরাই ইতিহাস-ঐতিহ্যকে ধারণ করবে- এরাই ইতিহাস গড়বে। তারা বায়ান্না দেখেনি, একাত্তর দেখেনি- তারা একবিংশ শতাব্দীর স্বৈরাচারী সরকার, ফ্যাসিবাদী সরকারকে দেখেছে। তারা দেখেছে এই সরকারের আমলে ছাত্রদের উপর অন্যায়-অত্যাচার। ছাত্রীদেরকে ধর্ষণ করে মেরে ফেলা, তারা দেখেছে ‘কোটা সংস্কার’ আন্দোলনকর্মীদের উপর জুলুম- তারা আরো সাক্ষী হলো জগন্নাথ বিশ^বিদ্যালয়ের ছাত্র আরিফুলের লাশের। তাদের সহপাঠীদেরকে মেরে রক্তাক্ত করার সাক্ষীও তারা। তাদের কাছে আন্দোলনের অনেক উপাদানই রয়েছে। এই বয়সেই তো পুরো পৃথিবীকে পরিবর্তন করা …

বিস্তারিত পড়ুন

‘মুখোশ ও মুখশ্রী’ নামধারী বুদ্ধিজীবীদের ‘মেধা’ আর ‘মেদের’ মধ্যে তফাৎ নেই : গ্রন্থ পর্যালোচনা

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী লিখিত ‘মুখোশ ও মুখশ্রী’ বইটি শেষ করার মধ্যদিয়ে এটুকু আরও পরিষ্কার হলো যে, জানার কোনো শেষ, শেখার কোনো শেষ নেই- জীবন মানেই জানা আর শেখা। আর সেই জানাকে কাজে লাগানোর জন্য, মানুষের জন্য কিছু করার জন্য- মানুষের মধ্যে নিজের জ্ঞানকে বিতরণ করার ক্ষুদ্র প্রয়াস এ লেখাটি। একইসাথে এ লেখার মতামত পেলে নিজেকে বিকশিত করতেও সহযোগিতা করবে বলে প্রত্যাশা করছি। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম বন্ধু বই। এখন পর্যন্ত এই সত্যটিকে …

বিস্তারিত পড়ুন

অবাধ্য ধর্ষণ : স্বপ্নে পূর্ণার ছিন্নভিন্ন দেহটি ভেসে উঠে

ধর্ষণ আজকাল আর ভাবায় না- ইতিহাস-ঐতিহ্যের অংশ হয়ে গেছে। স্ত্রীলিঙ্গ নিয়ে জন্ম নিবে আর ‘ধর্ষণ’ হবে না তা আবার কেমন কথা! তার মধ্যে স্ত্রীলিঙ্গ নিয়ে জন্ম নেওয়া নারী ও শিশুটি যদি হয় দুর্বলচিত্তের- তার শ্রেণীগত অবস্থান যদি হয় শোষিতশ্রেণী। তাহলে তো আর কথাই থাকে না! আবার যদি হয় অন্য জাতিগোষ্ঠির! সবই সম্ভব তো এই রাষ্ট্রে। নতুন কিছু না তো, সবই পুরাতন কাহিনী। আমরা বোকারাই ভাবি, কষ্ট পাই, দুঃখ পাই- অগোচরে …

বিস্তারিত পড়ুন

এই ধর্ষণকামী রাষ্ট্রব্যবস্থার পরিবর্তন চাই

চারদিকে নির্বাচনী হাওয়া। কয়লা চুরি, স্বর্ণ চুরি কোনোকিছুই নির্বাচনী হাওয়ায় প্রভাব ফেলতে পারছে না। আর তো সামান্য শিক্ষার্থীদের মৃত্যু, ১০ বছরের শিশু কন্যা ধর্ষণ! হাস্যকরই বটে! কেউ কেউ তো মিটিমিটি হাসছে- আরে মরছে তো ত্রিপুরা কন্যা তাতে এমন কি আর হয়েছে বলে স্বস্তির নিশ্বাসও ফেলছে! কেউ তো রীতিমতো গবেষণায় নেমেছে মেয়েটির পোশাক ঠিক ছিল কিনা! হুম! খারাপ শুনালেও এ কথাগুলোই ঠিক। আর শিক্ষার্থী দের মৃত্যু ও তো নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। এত …

বিস্তারিত পড়ুন

ভারত শাসন আইন ও বৌদ্ধদের নবজাগরন

১৯৩৫ সালে ভারত শাসন আইনটি ছিল সুবৃহৎ দলিল । ভারতের রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ১৯২৭ সালে গঠিত হয় সাইমন কমিশনের রির্পোট প্রকাশিত হয় ১৯৩০ সালে । কিন্তু ভারতীয়রা এই রির্পোট প্রত্যাখ্যান করেন । ভারতের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কথা চিন্তা করে এর সমাধানের নিমিত্তে সরকার ১৯৩০-১৯৩২ সালের মধ্যে তিনটি গোল টেবিল বৈঠক করেন । কিন্তু সেগুলা ব্যর্থ হয় । ইতিমধ্যে ব্রিটিশ প্রধান মন্ত্রী সাম্প্রায়িক রোয়েদাদ ঘোষনা করেন । বিভিন্ন দল ও সম্প্রাদায় …

বিস্তারিত পড়ুন